পাটায়ার সমুদ্রে মার্কিন রণতরী, ৫ হাজার নাবিকের আগমনে কেন আতঙ্কিত যৌনপল্লির কর্মীরা?
বার্তা ডেস্কঃ
দীর্ঘ ২৫০ দিন সমুদ্রে কাটানোর পর থাইল্যান্ডের পাটায়া সমুদ্র সৈকতে নোঙর করতে চলেছে মার্কিন নৌবাহিনীর শক্তিশালী রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’। এই বিশাল যুদ্ধজাহাজটির আগমনকে কেন্দ্র করে প্রায় পাঁচ হাজার মার্কিন সেনাকর্মী পাটায়ার মাটিতে পা রাখতে চলেছেন। স্বাভাবিকভাবেই এই বিপুল সংখ্যক বিদেশি গ্রাহকের সমাগমে শহরের নিশি ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি ফুটেছিল। তাঁদের প্রত্যাশা ছিল, দীর্ঘদিন ধরে মন্দায় থাকা স্থানীয় অর্থনীতি এই মার্কিন সেনার আগমনে নতুন করে চাঙ্গা হয়ে উঠবে। তবে এই বিপুল জনস্রোত পাটায়ার উপকূলে পৌঁছানোর ঠিক আগমুহূর্তেই শহরের যৌনপল্লীগুলোতে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
কাগজে-কলমে দেহব্যবসা আইনত নিষিদ্ধ হলেও থাইল্যান্ডের এই পর্যটন নগরীতে তা ওপেন সিক্রেট। এফবিআইয়ের চিহ্নিত এই যৌন পর্যটনকেন্দ্রে আচমকা পুলিশি কড়াকড়ি কেন শুরু হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। থাই সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, স্বাস্থ্যঝুঁকি, জননিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কোনো রকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না প্রশাসন। বিপুল সংখ্যক সেনাকর্মীর উপস্থিতিতে যৌনরোগ ছড়ানোর আশঙ্কা এবং সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নৈশ ক্লাব ও বিনোদন কেন্দ্রগুলোর ওপর বিশেষ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। প্রশাসনের এই আকস্মিক পদক্ষেপে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করলেও জনস্বাস্থ্য ও আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তির কথা মাথায় রেখেই এমন কঠোর অবস্থান নিয়েছে থাই কর্তৃপক্ষ।