স্বজনের মৃত্যুর পর আধার, প্যান ও ভোটার কার্ড নিয়ে কী করবেন? জেনে নিন সঠিক নিয়ম!
বার্তা ডেস্কঃ
September 5, 202612:35 pm
পরিবারের কোনো সদস্যের মৃত্যুর পর তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও সহায়-সম্পত্তির আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হলেও, প্রয়োজনীয় সরকারি পরিচয়পত্রগুলো নিয়ে অনেকেই ধন্দে থাকেন। অথচ ভবিষ্যতে জালিয়াতি ও অপব্যবহার এড়াতে আধার, প্যান, ভোটার কার্ড ও পাসপোর্টের ক্ষেত্রে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
১. আধার কার্ড:
মৃত্যুর পর আধার কার্ড সরাসরি জমা দেওয়ার আলাদা কোনো সরকারি ব্যবস্থা নেই। পৌরসভা বা গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে ডেথ সার্টিফিকেট বা মৃত্যুর শংসাপত্র ইস্যু হওয়ার পর সেন্ট্রাল ডেটাবেসে তথ্য আপডেট হয়ে যায় এবং আধার নম্বরটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে।
২. প্যান কার্ড:
কারো মৃত্যুর পরপরই প্যান কার্ড বাতিল করা ঠিক নয়। মৃত ব্যক্তির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, বিনিয়োগ বা আয়কর রিফান্ড সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেন পুরোপুরি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এটি সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। সব আর্থিক বিষয় চুকে গেলে আইনি উত্তরাধিকারীরা আয়কর বিভাগের কাছে আবেদন জানিয়ে কার্ডটি নিষ্ক্রিয় করাতে পারেন।
৩. ভোটার আইডি কার্ড:
ভোটার কার্ডের অপব্যবহার রুখতে স্থানীয় নির্বাচনী রেজিস্ট্রেশন আধিকারিকের (ERO) কাছে মৃত্যুর শংসাপত্রসহ ‘ফর্ম ৭’ জমা দিয়ে মৃত ব্যক্তির নাম ভোটার তালিকা থেকে স্থায়ীভাবে বাদ দেওয়া যায়।
৪. পাসপোর্ট:
পাসপোর্টের নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হলে তা এমনিতেই অকার্যকর হয়ে যায়। ফলে প্রয়াণের পর পাসপোর্ট বাতিলের জন্য আলাদা করে কোনো বিশেষ আবেদনের প্রয়োজন হয় না।