ছাপ্পা ভোট দিলেই এক বছরের জেল! কড়া হুঁশিয়ারি নির্বাচন কমিশনের
বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের উত্তাপের মাঝেই ছাপ্পা ভোট ও বুথ দখল রুখতে নজিরবিহীন কঠোর অবস্থানের কথা জানাল ভারতের নির্বাচন কমিশন। আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার মহারণের আগে কমিশন স্পষ্ট করেছে যে, ভোট প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের কারচুপি বা ভুয়ো ভোটদানের প্রমাণ মিললে অভিযুক্তকে সরাসরি এক বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ও যাচাই প্রক্রিয়া
ভুয়ো ভোটার শনাক্ত করতে এবার বুথের বাইরেই তৈরি করা হচ্ছে দুর্ভেদ্য নিরাপত্তা বলয়। লাইনে দাঁড়ানোর আগেই বিএলও এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীরা ভোটারের পরিচয়পত্র, সিরিয়াল নম্বর ও আঙুলের কালি পরীক্ষা করবেন। এই প্রাথমিক যাচাইয়ে উত্তীর্ণ হলেই কেবল ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি মিলবে। এছাড়া প্রতিটি বুথে লাইভ ওয়েব কাস্টিং এবং সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সরাসরি নজরদারি চালাবেন কমিশনের আধিকারিকরা।
শান্তিপূর্ণ ভোটের লক্ষ্য
তীব্র দাবদাহের কথা মাথায় রেখে ভোটারদের জন্য বুথগুলোতে বিশেষ পানীয় জল, শৌচাগার এবং নিচতলায় ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রথম দফার ভোট মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ হওয়ায় সেই ধারা বজায় রাখাই এখন কমিশনের প্রধান চ্যালেঞ্জ। মূলত রাজনৈতিক দলগুলোর পেশিশক্তি প্রদর্শন বন্ধ করতে এবং সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার সুরক্ষিত করতেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।
এক ঝলকে
- ছাপ্পা বা ভুয়ো ভোট দিলে অপরাধীর এক বছরের জেল নিশ্চিত করেছে কমিশন।
- দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণের আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
- বুথের ভেতরে সিসিটিভি ও ওয়েব কাস্টিংয়ের মাধ্যমে কড়া নজরদারি চলবে।
- পরিচয়পত্র পরীক্ষার পাশাপাশি ভোটারের আঙুলে কালি আছে কি না তা আগেভাগেই যাচাই করা হবে।