তৃণমূলের অস্তিত্ব মুছে ফেলার ডাক, দিলীপের হুঙ্কারে তোলপাড় রাজনীতি!
বার্তা ডেস্কঃ
September 12, 20261:34 pm
তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক ‘জোড়াফুল’ কার দখলে থাকবে, তা নিয়ে সংঘাত এখন তুঙ্গে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদ্রোহী বিধায়ক দলের এই লড়াই গড়িয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI) পর্যন্ত। দিল্লিতে দুই পক্ষকে নিয়ে আয়োজিত কমিশনের বিশেষ শুনানির আবহেই ঘাসফুল শিবিরকে চাঁচাছোলা ভাষায় নিশানা করলেন দিলীপ ঘোষ।
তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, “দেখা গেল শেষ পর্যন্ত কেউ প্রতীকই পেল না! আমরা চাই এই দলটাই চিরতরে উঠে যাক। কারণ তৃণমূল কংগ্রেস বাংলার রাজনীতিকে চরম কলুষিত করেছে এবং রাজ্যের অপূরণীয় ক্ষতি করেছে।” তৃণমূলের সার্বিক অস্তিত্ব নিয়েই প্রশ্ন তুলে তাঁর সংযোজন, “কুণাল ঘোষ নিজেই বলেছেন তৃণমূল মানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই তিনি যতদিন আছেন, ততদিনই মনে হবে তৃণমূল বলে একটা দল ছিল।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শিবসেনা বিবাদের মতোই তৃণমূলের প্রতীক কাণ্ডেও নির্বাচন কমিশন তাৎক্ষণিকভাবে ‘জোড়াফুল’ প্রতীকটি ফ্রিজ (বাজেয়াপ্ত) করে দিতে পারে। এতে কোনো পক্ষই প্রতীকটি ব্যবহার করতে পারবে না। যদিও সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কেবল পরিষদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নয়, মূল রাজনৈতিক দলের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে রয়েছে সেটাই চূড়ান্ত বিচারে গুরুত্বপূর্ণ। দিল্লির এই শুনানির ওপরই নির্ভর করছে বাংলার রাজনীতিতে ‘আসল তৃণমূল’ এবং ঐতিহ্যবাহী জোড়াফুল প্রতীকের ভবিষ্যৎ।