একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় লোহার বন্ধনে মরচে! বেজিংয়ের নীতি বদলে মাথায় হাত যেচে থাকা ইসলামাবাদের
বার্তা ডেস্কঃ
September 14, 20269:33 am
নয়াদিল্লি: সুদৃঢ় ও পরীক্ষিত বন্ধু বেজিংয়ের ভূ-রাজনীতিতেই এবার বড়সড় ঝটকা খেল পাকিস্তান। নয়াদিল্লিতে সদ্যসমাপ্ত ব্রিকস (BRICS) শীর্ষ সম্মেলনে ভারতের মূল নিরাপত্তা উদ্বেগকে সমর্থন জানিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণের স্পষ্ট ইঙ্গিত দিল চিন।
দিল্লির এই সম্মেলনে পহেলগাম সন্ত্রাসবাদী হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয় এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের কড়া বার্তা দেওয়া হয়। সবচেয়ে কূটনৈতিক তাত্পর্যপূর্ণ বিষয় হলো, ভারতের প্রস্তাবিত এই যৌথ ঘোষণাপত্রে সসম্মানে স্বাক্ষর করেছে ইসলামাবাদের দীর্ঘদিনের ভরসার প্রতীক চিন। মূল ঘোষণাপত্রে সরাসরি পাকিস্তানের নাম উল্লেখ করা না হলেও, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ প্রশ্নে ভারতের পাশে বেজিংয়ের এই দাঁড়ানো দিল্লির এক বড় কূটনৈতিক জয় হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
চিন-পাক সম্পর্কে ফাটল ধরার ৩টি প্রধান কারণ:
- চীনা কর্মীদের নিরাপত্তাহীনতা: বালুচিস্তানে ‘সিপেক’ (CPEC) প্রকল্পের কাজে যুক্ত চীনা নাগরিকদের ওপর একের পর এক জঙ্গি হামলা বেজিংয়ের ধৈর্যের সীমা ছাড়িয়েছে। নিজেদের নাগরিকদের সুরক্ষায় ইসলামাবাদকে কড়া চাপে রাখছে চিন।
- আর্থিক সংকট ও বকেয়া ঋণ: পাকিস্তানের জ্বালানি খাতের চরম মন্দা ও বিপুল বকেয়া ঋণের জেরে চীনা বিনিয়োগকারীরা এখন সতর্ক। অন্ধ সাহায্যের পথ থেকে সরে এসে এখন নিজস্ব ব্যবসায়িক মুনাফা ও সুরক্ষাকেই প্রাধান্য দিচ্ছে বেজিং।
- ভারত-চিন সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ: ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘাতের পর দিল্লির সাথে দ্বিপাক্ষিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক ফের স্বাভাবিক করতে আগ্রহী চিন। ভারতের সাথে বড় অঙ্কের অর্থনৈতিক স্বার্থ জড়িয়ে থাকায় পাকিস্তান-সমর্থিত প্রতিটি সন্ত্রাসবাদী এজেন্ডাকে আর আগের মতো চোখ বন্ধ করে সমর্থন করতে চাইছে না বেজিং।
তবে কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইসলামাবাদকে এখনই পুরোপুরি হাতছাড়া করছে না চিন। সাম্প্রতিক বৈঠকে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে ‘সিপেক ২.০’ প্রকল্প এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সবুজ সংকেত দিয়েছেন। পাকিস্তানও ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থে বেজিংকে আঁকড়ে রাখতে মরিয়া। তবুও, ব্রিকসের মঞ্চে চিনের এই কৌশলগত অবস্থান বদল আগামী দিনে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এক নতুন মোড় ঘুরিয়ে দিতে চলেছে।