একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় শালবনি জমি দুর্নীতি: চার্জশিটে সুমিতের নাম, সিআইডির হাতে বিস্ফোরক ‘মানি ট্রেল’!
বার্তা ডেস্কঃ
September 14, 20269:33 am
শালবনি জমি জালিয়াতি মামলায় মেদিনীপুর জেলা আদালতে জমা পড়া সিআইডির চার্জশিট ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, জমি কেলেঙ্কারির মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া কোটি কোটি টাকা সরাসরি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৎকালীন আপ্ত-সহায়ক সুমিত রায়ের দফতরে পৌঁছানো হতো। এই পুরো অবৈধ লেনদেন প্রক্রিয়ায় অন্যতম মূল ভূমিকা পালন করেছিলেন প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরা।
সিআইডি সূত্রে খবর, ২০১৮ থেকে ২০২১—এই চার বছর ধরে শালবনিতে জমি সংক্রান্ত বেআইনি আর্থিক লেনদেন অবাধে চলেছে। তদন্তের গতি বাড়াতে ইতোমধ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুই প্রাক্তন নিরাপত্তা কর্মী, সুজয় হাজরার ব্যক্তিগত গাড়িচালক এবং স্থানীয় দুই ব্যবসায়ীর বয়ান রেকর্ড করেছেন তদন্তকারীরা। প্রত্যক্ষদর্শী ওই ব্যবসায়ীদের দাবি, সুজয় হাজরাকে সরাসরি সুমিত রায়ের হাতে নগদ টাকা তুলে দিতে দেখেছিলেন তারা। সুমিতের প্রভাব ও ক্ষমতার ভয়ে এতদিন কেউ মুখ খোলার সাহস পাননি বলে জানিয়েছে সিআইডি।
সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সুমিত রায়ের অন্তর্বর্তী আইনি সুরক্ষা উঠে যাওয়ার পরই তাঁকে গ্রেফতার করে ভবানী ভবনে নিয়ে আসা হয়। সেখানে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদে অসঙ্গতি ধরা পড়ায় গত শুক্রবার তাঁকে মেদিনীপুর জেলা আদালতে পেশ করা হলে বিচারক ৮ দিনের সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন। গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, হেফাজতের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেই সুমিতের কাছ থেকে একাধিক বিস্ফোরক তথ্য মিলেছে। তদন্তকারীদের অনুমান, এই অর্থ কেলেঙ্কারির জালে একাধিক প্রভাবশালী মুখ জড়িয়ে রয়েছে, যা আগামী দিনে ধৃতকে মুখোমুখি জেরা করে সামনে আনা সম্ভব হবে।