একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ফ্রিজে স্ত্রীর কাটা মাথা! পুলিশি হেফাজতে চলন্ত গাড়ি থেকে ঝাঁপ, নিহত ঘাতক স্বামী
বার্তা ডেস্কঃ
September 14, 20266:33 pm
গুয়াহাটি: স্ত্রীকে নৃশংসভাবে খুন করে কাটা মাথা ফ্রিজে রেখে দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী রামানুজ গোস্বামীর মৃত্যু হলো পুলিশি হেফাজতে। পুলিশের হাত থেকে পালাতে গিয়ে চলন্ত গাড়ি থেকে লাফ দেয় সে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। সোমবার ভোররাতের এই ঘটনার পর পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২৫ বছর বয়সী রিয়া তালুকদারকে নৃশংসভাবে খুনের দায়ে পুলিশ হেফাজতে ছিল তার স্বামী রামানুজ। সোমবার রাত আনুমানিক ২টোর দিকে তাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পথিমধ্যে নার্সিং কলেজের কাছে পুলিশের গাড়িটির একটি চাকা পাংচার হয়ে যায়। গাড়ি থামিয়ে চাকা বদলানোর পর ফের যাত্রা শুরু করতেই বিপত্তি ঘটে। হাতকড়া পরা অবস্থায় থাকা রামানুজ আচমকাই নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কনস্টেবলকে সপাটে লাথি মেরে বেসামাল করে দেয়। এরপর দ্রুত গাড়ির পিছনের দরজা খুলে চলন্ত গাড়ি থেকেই রাস্তায় লাফ দেয় সে।
উল্লেখ্য, গত ৩ সেপ্টেম্বর গুয়াহাটির হাটিগাঁও এলাকার ফ্ল্যাট থেকে রিয়া তালুকদারের পচাগলা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ফ্ল্যাট থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হওয়ায় প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দিয়েছিলেন। তদন্তে নেমে পুলিশ ফ্রিজের ভেতর কালো পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় রিয়ার কাটা মাথা উদ্ধার করে। স্ত্রীকে খুনের পর দেহ খণ্ডবিখণ্ড করে মাথা ও হাতের আঙুল ফ্রিজে লুকিয়ে রেখেছিল রামানুজ। স্ত্রীর পরকীয়া নিয়ে সন্দেহের বশেই মদ্যপ অবস্থায় এই খুন বলে পুলিশকে জানিয়েছিল সে।
গ্রেপ্তারের পরও নিজের কৃতকর্মের জন্য কোনো অনুশোচনা ছিল না রামানুজের। এমনকি জেল থেকে বেরিয়ে স্ত্রীর কথিত প্রেমিককেও খুনের হুমকি দিয়েছিল সে। নিহতের পরিবারের দাবি, রামানুজ চরম মাদকাসক্ত ছিল এবং ২০১৯ সালেও একটি আর্থিক প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিল।
তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই অভিযুক্তের এভাবে মৃত্যু পুরো মামলাটিতে নতুন মোড় এনে দিয়েছে। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও হাতকড়া পরা এক অভিযুক্ত কীভাবে কনস্টেবলকে আক্রমণ করে চলন্ত গাড়ির দরজা খুলে লাফ দিতে পারল, তা নিয়ে পুলিশের গাফিলতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।