একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় বিহারে ইউসিসি নয়! জেডিইউ-টিডিপির চাপে ‘ধীরে চলো’ নীতিতেই ভরসা বিজেপির
বার্তা ডেস্কঃ
September 14, 20266:33 pm
নয়াদিল্লি: ২০২৯ সালের মধ্যে বিজেপি তথা এনডিএ শাসিত সমস্ত রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) চালুর লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরপরই শাসক জোটে অভ্যন্তরীণ মতভেদের ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ইউসিসি দ্রুত বাস্তবায়নে আপত্তি জানিয়ে এবার আলোচনার দাবি তুলেছে এনডিএ-র অন্যতম দুই গুরুত্বপূর্ণ শরিক—জেডিইউ (JD-U) এবং টিডিপি (TDP)।
জেডিইউ-র তীব্র আপত্তি ও আলোচনার আর্জি সূত্রের খবর, বিষয়টি নিয়ে অমিত শাহের সঙ্গে দ্রুত সাক্ষাতের সময় চেয়েছেন জেডিইউ-র কার্যকরী কার্যকরী সভাপতি সঞ্জয় ঝা। দলের সাধারণ সম্পাদক শ্যাম রজকের স্পষ্ট বক্তব্য, বিহারে কোনও ভাবেই জোর করে ইউসিসি চাপিয়ে দেওয়া যাবে না। এর আগে মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি দিয়ে সংবেদনশীল এই বিষয়ে তাড়াহুড়ো না করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। জেডিইউ নেতৃত্বের দাবি—সংখ্যালঘু, সব রাজ্যের সরকার এবং বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠনের সঙ্গে বিস্তারিত ও সর্বসম্মত আলোচনা ছাড়া ইউসিসি কার্যকর করা উচিত হবে না।
একই সুর চন্দ্রবাবু নাইডুর টিডিপির কণ্ঠে অন্যদিকে, অন্ধ্রপ্রদেশের শাসকদল তথা এনডিএ-র প্রধান শরিক তেলুগু দেশম পার্টিও (টিডিপি) একই বার্তা দিয়েছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বক্তব্য, ইউসিসি-র মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ব্যাপক জনমত ও আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।
শরিকদের মন জয় করাই বিজেপির বড় পরীক্ষা বিজেপি সূত্রে অবশ্য জানানো হয়েছে, সংবেদনশীল বিষয় হওয়ায় শরিকদের আপত্তি একেবারেই অস্বাভাবিক নয়। বিজেপি একতরফা কোনও সিদ্ধান্ত না নিয়ে সমঝোতার মাধ্যমেই এগোতে চায়। সে ক্ষেত্রে উত্তরাখণ্ডে যেভাবে দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে ইউসিসি কার্যকর করা হয়েছে, সেই মডেল শরিকদের সামনে তুলে ধরা হতে পারে।
অতীতে ৩৭০ ধারা বিলোপ, সিএএ (CAA), তিন তালাক রদ কিংবা ওয়াকফ সংশোধনী আইনের ক্ষেত্রে যেমন সহযোগীদের সঙ্গে ঐকমত্য তৈরির চেষ্টা হয়েছিল, ইউসিসি-র ক্ষেত্রেও একই কৌশল নেওয়া হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ২০২৯-এর লক্ষ্য পূরণ করতে গিয়ে শরিকদের এক ছাতার তলায় ধরে রাখাই এখন গেরুয়া শিবিরের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।