একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ‘হার্ট অ্যাটাক’ লিখে গুগলে সার্চ! কানপুরে কোটিপতি শ্বশুর খুনে জালে পুত্রবধূ
বার্তা ডেস্কঃ
September 15, 20267:52 pm
কানপুরের কল্যাণপুরে কোটিপতি ওষুধ ব্যবসায়ী বিনীত মিনোচা হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর ষড়যন্ত্রের পর্দাফাঁস করল পুলিশ। অন্ধ এই হত্যাকাণ্ডের মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মূল চক্রান্তকারী পুত্রবধূ শ্যালু মিনোচা এবং তার দুই সহযোগী গৃহভৃত্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপরাধ ঢাকতে অনলাইন সার্চের সাহায্য নেওয়াই শেষ পর্যন্ত কাল হলো অভিযুক্তদের জন্য।
যেভাবে ফাঁস হলো চক্রান্ত খুনের ঘটনার ঠিক আগেই শ্যালু নিজের মোবাইলে বারবার সার্চ করেছিল, “কীভাবে খুন করলে তা স্বাভাবিক হার্ট অ্যাটাক বা আত্মহত্যা মনে হবে?” মোবাইল হ্যান্ডসেট ও ডিজিটাল চ্যাট খতিয়ে দেখে পুলিশের হাতে আসা এই সার্চ হিস্ট্রিই এখন মামলার অকাট্য প্রমাণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
খুনের নেপথ্যে সিসিটিভি ও অঢেল খরচ পুলিশ জানায়, পুত্রবধূর বেহিসেবি খরচ ও অতিরিক্ত বিলাসিতায় তীব্র আপত্তি ছিল বিনীত মিনোচার। শ্যালুর গতিবিধিতে সন্দেহ হওয়ায় তিনি ফ্ল্যাটের ভেতর একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরাও বসান। এই নজরদারি ও আর্থিক কড়াকড়িতে চরম ক্ষুব্ধ হয়ে শ্বশুরকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় শ্যালু। কাজের লোককে মোটা অঙ্কের টাকার লোভ দেখিয়ে এই ছক কষা হয়।
পরিকল্পনায় গোলমাল ও মর্মান্তিক পরিণতি ঘটনার রাতে বাইরে থেকে স্বাভাবিক মনে করালেও, শ্যালু ও তার স্বামী গভীর রাত ৩টা পর্যন্ত এক জমজমাট পার্টিতে মদ্যপান ও নাচানাচিতে ব্যস্ত ছিলেন। পরিকল্পনা ছিল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক দেখানোর, কিন্তু মূল অভিযুক্ত বিশাল ও তার সঙ্গীরা ঘরে ঢুকলে বিনীত মিনোচা তীব্র বাধা দেন। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে দিশাহারা আততায়ীরা তাঁকে বেধড়ক পিটিয়ে হত্যা করে।
অভিযুক্তের আইনজীবী পুলিশের এই দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুললেও, সংগৃহীত ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল প্রমাণের ভিত্তিতে আদালতে শক্ত মামলা দাঁড় করাতে প্রস্তুত তদন্তকারী দল।