একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় হাই-টেক রণকৌশলে ভারতীয় সেনা: এআই ও ড্রোনের শক্তিতে তৈরি ‘রুদ্র’ ও ‘ভৈরব’ ব্রিগেড
বার্তা ডেস্কঃ
September 15, 20267:55 pm
চিন ও পাকিস্তানের দিক থেকে বাড়তে থাকা নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিজেদের যুদ্ধক্ষমতা দ্রুত আধুনিকীকরণ করছে ভারতীয় সেনা। ভবিষ্যতের লড়াইয়ে জয়ী হতে প্রচলিত সমরাস্ত্রের পাশাপাশি এখন মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ড্রোন, কাউন্টার-ড্রোন, সাইবার সিকিউরিটি, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং ডিরেক্টেড এনার্জি ওয়েপন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মতে, আগামী দুই ডেকেনে এই হাই-টেক প্রযুক্তিগুলি যুদ্ধের রূপরেখা সম্পূর্ণ বদলে দেবে।
নতুন সামরিক বিন্যাস যুদ্ধের ময়দানে সেনার কমব্যাট ক্ষমতা বহুগুণ বাড়াতে বেশ কিছু বিশেষ ফর্মেশন তৈরি করা হয়েছে:
- রুদ্র ব্রিগেড: যুদ্ধের ময়দানে প্রহারের ক্ষমতা বাড়াতে স্বাধীন ব্রিগেডগুলোকে ঢেলে সাজিয়ে নতুন রূপ দেওয়া হয়েছে।
- ভৈরব কমান্ডো ব্যাটালিয়ন: দ্রুত ও হাইব্রিড সংঘাত মোকাবিলার জন্য ১৫টি বিশেষ ব্যাটালিয়ন গঠন করা হয়েছে।
- শক্তি-বাণ রেজিমেন্ট: মিডিয়াম আর্টিলারি শক্তিতে অতিরিক্ত জোর দিতে ৩টি নতুন রেজিমেন্ট যুক্ত হয়েছে।
- অশনি ড্রোন প্লাটুন: সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাতে প্রতিটি ইনফ্যান্ট্রি ব্যাটালিয়নে বিশেষ ড্রোন ইউনিট যুক্ত করা হচ্ছে।
অভিজ্ঞতা ও আত্মনির্ভর ভারতের পথ পাহালগাম সন্ত্রাসী হামলা এবং ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে সমরাস্ত্রের ফাঁকফোকরগুলো চিহ্নিত করে লোটারিং মিউনিশন ও ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম দ্রুত মজবুত করা হচ্ছে। এর জন্য দেশীয় স্টার্টআপ ও স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ চলছে।
- স্বদেশী চুক্তি: গত ৩টি অর্থবর্ষে প্রায় ১.০০ লক্ষ কোটি টাকার ১২২টি ক্যাপিটাল কন্ট্রাক্টের মধ্যে ১২০টিই দেশীয় সংস্থাকে প্রদান করা হয়েছে।
- গোলাবারুদ উৎপাদন: গোলাবারুদের প্রায় ৯১ শতাংশ ক্ষেত্রে দেশীয়করণের রোডম্যাপ সফলভাবে বাস্তবায়িত।
- পরীক্ষিত সাফল্য: পোখরাণে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ‘নাগ এমকে-২’ অ্যান্টি-ট্যাংক মিসাইলের সফল ট্রায়াল শেষ হয়েছে এবং সেনার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ইতিমধ্যেই ৮১৯টি উন্নত ড্রোন প্রস্তুত করা হয়েছে।
প্রথাগত লড়াইয়ের গণ্ডি পেরিয়ে ভারতীয় সেনা এখন যেকোনো আধুনিক ও হাই-টেক সংঘাতের জন্য এক সম্পূর্ণ ডিজিটাল শক্তি হিসেবে প্রস্তুত হচ্ছে।