একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ‘১৪০ কোটির স্বার্থ আগে’, ট্রাম্পের শুল্কের হুঁশিয়ারিতে নতিস্বীকার নয় দিল্লির
বার্তা ডেস্কঃ
September 16, 20269:40 am
নয়াদিল্লি: মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও রাশিয়া থেকে অশোধিত তেল আমদানির সিদ্ধান্তে অবিচল নয়াদিল্লি। ট্রাম্প প্রশাসনের আনা ‘লিন্ডসে গ্রাহাম স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান বিল’-এর মাধ্যমে ভারত ও চিনের মতো দেশগুলির ওপর কড়া অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টির প্রক্রিয়া শুরু হলেও, ভারত স্পষ্ট জানিয়েছে—কোনও আন্তর্জাতিক চাপের কাছেই তারা নতজানু হবে না।
বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, ১৪০ কোটি ভারতবাসীর অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি চাহিদা মোনোই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। বিশ্ববাজারে জ্বালানির উচ্চমূল্য এড়াতে করোনার সময় থেকেই রাশিয়ার থেকে কম দামে তেল আমদানি বাড়িয়েছে ভারত, যা অভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করছে।
এদিকে, সিনেটে পাস হওয়া মার্কিন বিলটিতে রাশিয়ার থেকে তেল কেনা শীর্ষ ৫টি দেশের বিরুদ্ধে সরাসরি পদক্ষেপের বিধান রাখা হয়েছে। এমনকী, ভারতে পরিশোধিত রুশ তেল অন্য দেশে রফতানির ওপরও বিধিনিষেধ চাপাতে চায় ট্রাম্প প্রশাসন।
তবে কূটনৈতিক স্তরে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট। সম্প্রতি দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে মুখোমুখি বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সেই বৈঠকে জ্বালানি আমদানির পাশাপাশি পারমাণবিক শক্তি উৎপাদনে দুই দেশের যৌথ কাজ নিয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদীর ব্যক্তিগত সখ্যতা থাকলেও, বাণিজ্য ও পররাষ্ট্রনীতির প্রশ্নে নিজেদের স্বাতন্ত্র্য ও জাতীয় স্বার্থ বজায় রাখতে ভারত সম্পূর্ণ অনড়।