একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় পূজার বাসি ফুল ডাস্টবিনে নয়! ৪ উপায়ে ঘরেই করুন চমৎকার পুনর্ব্যবহার
September 16, 2026
বার্তা ডেস্কঃ
September 16, 202610:12 am
উৎসবের মৌসুমে প্রতিটি ঘরেই পূজার ফুলের ব্যাপক ব্যবহার হয়। তবে পূজা শেষে এসব বাসি ফুল ডাস্টবিনে ফেলা কিংবা নদীতে বিসর্জন দেওয়া—দুটিই ভুল অভ্যাস। নদীতে ফুল ফেললে জলদূষণ হয়, আর আবর্জনায় ফেলা পূজার ফুলের মর্যাদাবিরোধী। কিছুটা সচেতন হলেই বাসি ফুলগুলো ফেলে না দিয়ে গৃহস্থালির নানা কাজে পুনরায় ব্যবহার করা সম্ভব।
বাসি ফুল পুনর্ব্যবহারের ৪টি সহজ উপায়:
- গাঁদা ফুল থেকে নতুন চারা: পূজার শুকনো গাঁদা ফুলের নিচ থেকে কালচে বীজগুলো বের করে নিন। পাতার গুঁড়ো মেশানো টবের মাটিতে বীজগুলো বুনলে কিছুদিনের মধ্যেই সতেজ নতুন চারা গজিয়ে উঠবে।
- জৈব সার তৈরি: বাগানের কোণে বা একটি পাত্রে বাসি ফুল, পাতা ও সবজির খোসা মাটির সঙ্গে মিশিয়ে ১ থেকে দেড় মাস রেখে দিন। সম্পূর্ণ পচে তৈরি হবে পুষ্টিকর জৈব সার (কম্পোস্ট), যা গাছের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে।
- প্রাকৃতিক সুগন্ধি ধূপকাঠি: ফুল কড়া রোদে শুকিয়ে গুঁড়ো করে নিন। সেই গুঁড়োর সঙ্গে চন্দন গুঁড়ো, কর্পূর, গোবরের গুঁড়ো ও সামান্য ঘি দিয়ে মেখে ধূপের আকার বানিয়ে শুকিয়ে নিন। এতে রাসায়নিক ছাড়াই ঘরে মিলবে স্বর্গীয় সুবাস।
- হোমমেড পটপৌরি: সম্পূর্ণ শুকনো ফুল কাচের পাত্রে রেখে কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে লিভিং রুমে রেখে দিন। ঘরজুড়ে থাকবে মৃদু প্রাকৃতিক সুবাস। তবে খেয়াল রাখবেন, ফুল যেন কোনোভাবেই ভেজা না থাকে।
এমন ছোট ছোট পরিবেশবান্ধব পদক্ষেপ যেমন নদী ও মাটিকে দূষণ মুক্ত রাখবে, তেমনই আপনার বাগান ও ঘরের সৌন্দর্য বাড়াবে বহুগুণ।