একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় চিটফান্ড জালিয়াতি ও বেআইনি বিনিয়োগ: কলকাতায় একযোগে ৬ জায়গায় কেন্দ্রীয় এজেন্সির রেড
September 16, 2026
বার্তা ডেস্কঃ
September 16, 202610:50 am
বুধবার সাতসকালে কলকাতা ও তার সংলগ্ন এলাকার অন্তত ছয়টি স্থানে একযোগে চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। চিটফান্ডের মাধ্যমে তোলা কোটি কোটি টাকা রিয়েল এস্টেট ও কনস্ট্রাকশন ব্যবসায় খাটিয়ে বেআইনিভাবে ‘সাদা’ করার অভিযোগেই এই বড় পদক্ষেপ।
অভিযানের অংশ হিসেবে নারকেলডাঙা, নেতাজিনগর এবং রবীন্দ্র সরোবরের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ইডির পৃথক প্রতিনিধি দল হানা দিয়েছে।
অভিযানের মূল কেন্দ্রবিন্দু ও অভিযোগ:
- মূল অভিযুক্ত: তল্লাশির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন নারকেলডাঙার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী আব্দুর জব্বর মোল্লা। ইডি সূত্রে খবর, আব্দুর জব্বরের মধ্যস্থতাতেই বাজার থেকে বিপুল অর্থ চিটফান্ডের নামে তোলা হতো।
- কালো টাকা সাদা করার কৌশল: সংগৃহীত জালিয়াতির টাকা পরবর্তীতে আবাসন ও বিভিন্ন ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করে বৈধ করার চেষ্টা চলত।
- সহযোগীদের ওপর নজর: নারকেলডাঙার পাশাপাশি নেতাজিনগরে আব্দুর জব্বরের এক ঘনিষ্ঠ সহযোগীর বাড়িতেও ইডি আধিকারিকরা রেড চালিয়েছেন। রবীন্দ্র সরোবরের বেশ কয়েকটি ঠিকানাতেও তল্লাশি চলছে।
এই চক্রের শিকড় কত দূর বিস্তৃত এবং জালিয়াতির এই আন্তর্জাতিক বা আন্তঃরাজ্য অর্থ লেনদেনে আর কোন কোন প্রভাবশালী ব্যক্তি জড়িত, তা উন্মোচন করতেই ইডি আধিকারিকরা নথিপত্র খতিয়ে দেখছেন।