একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ‘নন্দীগ্রাম ছাড়তে চেয়েছিল তৃণমূল!’ বিস্ফোরক প্রদীপ, সপাটে খারিজ কুণালের
বার্তা ডেস্কঃ
September 16, 20263:38 pm
আগামী ৬ অক্টোবরের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতির পারদ চরমে। বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্যের এক বিস্ফোরক দাবিকে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। তাঁর দাবি, ভোটের তফসিল ঘোষণার প্রায় পনেরো দিন আগে তৃণমূল কংগ্রেস দিল্লির হাইকামান্ডের কাছে এক সমঝোতার প্রস্তাব পাঠিয়েছিল। প্রস্তাব অনুযায়ী, মুর্শিদাবাদের রেজিনগর আসনটি তৃণমূলকে ছেড়ে দিলে তারা নন্দীগ্রাম আসনটি কংগ্রেসকে দিতে প্রস্তুত ছিল।
তবে তৃণমূলের পক্ষে এই দাবি সম্পূর্ণ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দলের রাজ্য মুখপাত্র কুণাল ঘোষ স্পষ্ট জানান, এমন কোনো প্রস্তাব তৃণমূলের তরফ থেকে কখনোই দেওয়া হয়নি।
সমঝোতার আলোচনা ও কংগ্রেসের অবস্থান
- হাইকমান্ডের পরামর্শ: সূত্রের খবর, তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব ও এআইসিসি-র সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) কে সি বেণুগোপালের মধ্যে এই বিষয়ে প্রাথমিক কথা হয়।
- রাজ্য নেতৃত্বের আপত্তি: দিল্লির হাইকামান্ড মতামত জানতে চাইলে প্রদেশ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা একযোগে তৃণমূলের সঙ্গে কোনো আঁতাত বা সমঝোতায় যেতে অস্বীকার করেন।
- একলা চলার কৌশল: শাসকদলের বর্তমান ব্যাকফুটে থাকা পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে রাজ্যে নিজেদের রাজনৈতিক জমি পুনরুদ্ধার করাই কংগ্রেসের মূল লক্ষ্য। ফলে এককভাবেই নির্বাচনী ময়দানে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাত শিবির।
দুই আসনের উপনির্বাচন সমীকরণ
২০২১ সালে শুভেন্দু অধিকারী পদত্যাগ করায় নন্দীগ্রাম আসনটিতে উপনির্বাচন বাধ্যতামূলক হয়। এখানে মূল চতুর্মুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন—তৃণমূলের সঞ্চিতা প্রধান (দে), কংগ্রেসের মিলন প্রধান, বিজেপির হাসিরাণী রথ এবং তৃণমূলের বিদ্রোহী প্রার্থী মহম্মদ এতেসামূল হক।
অন্যদিকে, প্রাক্তন তৃণমূল নেতা হুমায়ুন কবীর পদত্যাগ করায় খালি হওয়া মুর্শিদাবাদের রেজিনগর আসনটিতেও একই দিনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।