একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় WBHS-এ বড় সিদ্ধান্ত: বয়স বা আয় বাড়লেও ছাড়পত্রের সুবিধা, রাজ্য কর্মীদের সন্তানদের নতুন স্বস্তি
বার্তা ডেস্কঃ
September 16, 20263:28 pm
রাজ্য সরকারি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের জন্য বড় সুখবর আনল রাজ্য অর্থ দফতর। আগামী ১ অক্টোবর থেকে পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য প্রকল্পে (WBHS) চালু হতে চলেছে ‘নন-পেকুনিয়ারি বেনিফিশিয়রি’ নামে একটি নতুন বিভাগ। এর ফলে বয়স, উপার্জন বা বিবাহ সংক্রান্ত বিধিনিষেধের কারণে মূল তালিকা থেকে বাদ পড়লেও, কর্মচারীদের সন্তানরা স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতাভুক্ত হাসপাতালগুলিতে অনুমোদিত হারে চিকিৎসা করানোর সুযোগ পাবেন।
গত ১১ সেপ্টেম্বর অর্থ দফতরের মেডিক্যাল সেল থেকে জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী, ২০০৯ সালের মূল বিধি অনুযায়ী যারা এতদিন সুবিধা পাওয়ার অযোগ্য বলে গণ্য হতেন, তাদের চিকিৎসার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই এই উদ্যোগ।
নতুন ব্যবস্থার প্রধান দিকগুলো:
- প্যাকেজ দর সুবিধা: ‘নন-পেকুনিয়ারি’ তালিকাভুক্ত সন্তানরা ডব্লিউবিএইচএস (WBHS) অনুমোদিত নির্দিষ্ট দর বা প্যাকেজ অনুযায়ীই হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে পারবেন।
- সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত খরচ: এই প্রক্রিয়ায় সরকারের কোনো আর্থিক দায় থাকবে না। ক্যাশলেস বা বিল ফেরত (reimbursement)-এর সুযোগ থাকছে না; চিকিৎসার সম্পূর্ণ খরচ মেটাতে হবে সংশ্লিষ্ট রোগীকেই।
- ঐচ্ছিক নথিভুক্তি: এই সুবিধা নেওয়ার সিদ্ধান্ত বাধ্যতামূলক নয়। অভিভাবক কর্মী বা পেনশনভোগীর লিখিত আবেদনের ভিত্তিতেই সন্তানের নাম এই শ্রেণিতে নথিভুক্ত করা হবে।
নিরবচ্ছিন্ন ছাড়পত্র সেবা: নির্দেশিকায় স্পষ্ট করা হয়েছে, কোনো নির্ভরশীল ছেলে ২৫ বছরে পা দেওয়ার এক মাস আগেই আগাম আবেদন করা যাবে। এতে নিয়মিত সুবিধা শেষ হওয়ার পরদিন থেকেই নতুন শ্রেণির সুবিধা শুরু হবে এবং চিকিৎসায় কোনো ছেদ পড়বে না।
তথ্যাদি গোপনের ক্ষেত্রে কড়া নিয়ম: সন্তানদের চাকরি, উপার্জন শুরু কিংবা বিবাহ সংক্রান্ত তথ্য গোপন রেখে মূল প্রকল্পের আর্থিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা ধরা পড়লে ডব্লিউবিএইচএস-এর কঠোর নিয়ম অনুযায়ী উপযুক্ত আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।