একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় শিশুরা যা অনায়াসে পারে, বয়সের সাথে প্রাপ্তবয়স্করা কেন তা ভোলেন?
September 16, 2026
বার্তা ডেস্কঃ
September 16, 20266:18 pm
ছোটদের খেলতে দেখলে খেয়াল করবেন, তারা কত সহজে অনায়াসে উবু হয়ে বা ‘ডিপ স্কোয়াট’ ভঙ্গিতে বসে থাকে। অথচ প্রাপ্তবয়স্কদের এই একই ভঙ্গিতে কিছুক্ষণ বসতে বললেই হাঁটু, কাফ ও কোমরের টানে কপালে ঘাম জমে। শহুরে আধুনিক জীবনযাত্রা এবং মেঝেতে না বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চেয়ার-সোফায় কাটানোর অভ্যাসেই আমাদের শরীর ধীরে ধীরে এই স্বাভাবিক নমনীয়তা হারাচ্ছে।
কেন শিশুরা সহজে পারে, বড়রা পিছিয়ে পড়েন?
- দেহের ভরকেন্দ্র ও ওজন: শিশুদের শরীরের গঠন প্রাপ্তবয়স্কদের চেয়ে আলাদা। তাদের দেহের ভরকেন্দ্র কিছুটা নীচে থাকে। অর্থোপেডিক সার্জেন ডাঃ রজতাভ বিশ্বাসের মতে, শিশুদের ওজন কম হওয়ায় তারা সহজে ভারসাম্য ধরে রাখতে পারে।
- জয়েন্টের নমনীয়তা: ছোটবেলায় মেঝেতে খেলাধুলা করার ফলে শিশুদের জয়েন্ট ও হিপ মোবিলিটি অনেক বেশি থাকে।
- অভ্যাসের অভাব: বয়স বাড়ার সাথে সাথে উঁচু আসনে বা চেয়ারে বসার প্রবণতা বাড়ে। ফলে হাঁটু, গোড়ালি ও কোমরের জয়েন্টগুলোর স্বাভাবিক সঞ্চালন ক্ষমতা (mobility) কমে গিয়ে পেশি শক্ত হয়ে যায়।
নিয়মিত Deep Squat-এর দীর্ঘমেয়াদি উপকারিতা
- পেশি ও জয়েন্ট শক্তিশালী করা: এটি শুধু বসার ভঙ্গি নয়, নিয়মিত অভ্যাসে কোয়াড্রিসেপস, গ্লুটস, কাফ ও কোরের পেশি শক্তিশালী হয়।
- আর্থ্রাইটিসের ঝুঁকি হ্রাস: ডাঃ বিশ্বাস জানান, এই অভ্যাস হাঁটুর কার্টিলেজের বেধ (thickness) বাড়াতে সাহায্য করে। এতে হাঁটুতে চাপ কম পড়ে এবং আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে।
- ভারসাম্য ও মেরুদণ্ডের স্বাস্থ্য: দীর্ঘক্ষণ চেয়ারে বসে থাকার ফলে কোমরে যে শক্ত ভাব তৈরি হয়, তা দূর করতে এবং হাঁটার সময় শরীরের ভারসাম্য ধরে রাখতে এটি অত্যন্ত কার্যকর।
সঠিক উপায়ে ডিপ স্কোয়াট করার সহজ নিয়ম
- পায়ের অবস্থান: দুই পা কাঁধের সমান দূরত্বে রেখে পুরো পা মাটিতে সমানভাবে রাখুন। পায়ের আঙুলে অতিরিক্ত চাপ বা মেঝে আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করবেন না।
- গোড়ালির টেকনিক: শুরুতে গোড়ালি মাটিতে ঠেকানো কঠিন মনে হলে বা টান লাগলে গোড়ালির নীচে একটি ছোট বই বা শক্ত ব্লক রাখতে পারেন।
- মেরুদণ্ড সোজা রাখা: শরীর ঝুঁকে বা কুঁজো হয়ে না বসে মেরুদণ্ড যত সম্ভব সোজা রাখার চেষ্টা করুন এবং কোর মাসেল এনগেজড রাখুন।