একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় রাশিয়ার তেলের মাশুল? ভারতের পণ্যে ১০০% মার্কিন শুল্কের খাঁড়া
বার্তা ডেস্কঃ
September 16, 20267:05 pm
রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস কেনা দেশগুলোর ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত শুল্ক চাপানোর ক্ষমতা মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দেওয়ার বিলে সায় দিয়েছে আমেরিকান কংগ্রেস। ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অফ ২০২৬’ শীর্ষক এই প্রস্তাবটি চূড়ান্ত রূপ পেলে ভারত ও চীনের মতো প্রধান ক্রেতা দেশগুলো বড়সড় আর্থিক চাপের মুখে পড়বে। ইউক্রেন যুদ্ধে মস্কোর রাজস্বের পথ রুদ্ধ করাই মার্কিন প্রশাসনের মূল লক্ষ্য।
বিলের মূল দিক ও ভোটচিত্র
- ভোটাভুটি: মার্কিন হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসে ২১৪-২১১ ভোটে পাস হয়েছে বিলটি। আগস্টে সেনেটেও এটি ৮৬-১১ ভোটে অনুমোদন পেয়েছিল। এখন কেবল প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের অপেক্ষা।
- নজরে যেসব দেশ: রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণে জ্বালানি আমদানি করা ভারত, চীন, আজারবাইজান, হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়া রয়েছে এই তালিকার শীর্ষে। এছাড়া ইরানের জ্বালানি খাতে যুক্ত আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ওপরও কড়া নিষেধাজ্ঞা আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
ভারতের স্পষ্ট জবাব মার্কিন পদক্ষেপ প্রসঙ্গে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, দেশের শক্তি নিরাপত্তা, জাতীয় স্বার্থ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দর যাচাই করেই ভারত রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি করে। নয়া দিল্লি স্পষ্ট করে দিয়েছে, নিজেদের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়েই বাণিজ্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ভারতীয় অর্থনীতিতে সম্ভাব্য প্রভাব
- জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি: ভারতের প্রয়োজনীয় তেলের প্রায় ৮৮ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। রাশিয়ার সস্তা তেল কেনা কঠিন হলে আমদানি ব্যয় ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে।
- মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা: জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহণ ব্যয় বাড়বে, যার সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে সাধারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য এবং পেট্রোল-ডিজেলের দামের ওপর।
- রফতানিতে ধাক্কা: নতুন এই বিলের প্রভাব মার্কিন বাজারে ভারতের রফতানি বাণিজ্যে পড়তে পারে। বিশেষ করে ভারতীয় ইলেকট্রনিক্স, স্মার্টফোন, ওষুধ, তৈরি পোশাক, রত্ন-গয়না এবং অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ রফতানি অতিরিক্ত শুল্কের মুখে পড়তে পারে।