একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় ওটিটি-তে ‘সেন্সর’ বসানোর উদ্যোগ! আরএসএস গড়ল বিশেষ কমিটি
বার্তা ডেস্কঃ
September 16, 20267:08 pm
ওটিটি (OTT) প্ল্যাটফর্মের বিষয়বস্তু পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং তথাকথিত ‘সাংস্কৃতিক দূষণ’ রোধ করতে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)। সংঘ প্রধান মোহন ভাগবতের তোলা দাবির ওপর ভিত্তি করেই এই নতুন পর্যবেক্ষণ প্যানেল কাজ শুরু করেছে।
কমিটির লক্ষ্য ও কর্মপরিকল্পনা
- কমিটির রূপরেখা: শিক্ষা ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত প্রাক্তন উপাচার্য এবং আরএসএস প্রচারকদের নিয়ে কয়েক মাস আগে এই প্যানেল গঠিত হয়। সম্প্রতি এর প্রথম বৈঠকটি সম্পন্ন হয়েছে।
- সেন্সর বোর্ডের ধাঁচে নজরদারি: তরুণ প্রজন্ম ও পারিবারিক মূল্যবোধ রক্ষায় ‘সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন’ (CBFC)-এর মতো কোনও ছাড়পত্র ব্যবস্থা ওটিটি-র ক্ষেত্রে আনা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
- আইনি পরামর্শ: চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দেওয়ার আগে কমিটি আইনি বিশেষজ্ঞদের মতামত নেবে। পরবর্তীতে এই প্রস্তাব কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের কাছে পেশ করা হবে।
ভাগবতের বার্তা ও প্রেক্ষাপট ২০২৪ সালের অক্টোবরে বিজয়াদশমীর ভাষণে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত ওটিটি-র অনিয়ন্ত্রিত কনটেন্টকে ‘নৈতিক অবক্ষয়’-এর অন্যতম কারণ বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সংঘের ‘কুটুম্ব প্রবোধণ’ শাখা থেকেও একই ধরনের মতামত আসার পর এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বর্তমান নিয়ম ও সরকারি কঠোরতা
- বর্তমান আইনি কাঠামো: বর্তমানে প্রেক্ষাগৃহের ছবির মতো ওটিটি কনটেন্ট মুক্তির আগে প্রি-সেন্সরশিপের মধ্য দিয়ে যায় না। এটি মূলত ‘তথ্য প্রযুক্তি বিধি, ২০২১’-এর অধীনে স্ব-নিয়ন্ত্রিত হয়।
- সরকারি পদক্ষেপ: অশ্লীলতা ও আইটি আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গত দুই বছরে ভারতে ৫০টি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ব্লক করেছে কেন্দ্র, যা ২০২৬ সালের জুলাই মাসে লোকসভায় জানানো হয়।
ওটিটি নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে সরকারের অভ্যন্তরীণ আলোচনার মাঝেই আরএসএস-এর এই নতুন পদক্ষেপ যুক্ত হলো। প্যানেল চূড়ান্তভাবে সিবিএফসি-র মতো কঠোর সেন্সরশিপ চায় নাকি অন্য কোনও স্ব-নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রস্তাব দেয়, তা নির্ভর করবে তাদের চূড়ান্ত সুপারিশের ওপর।