একটি সংক্ষিপ্ত, ক্লিকযোগ্য ও নজরকাড়া শিরোনাম দিন। শিরোনামটি অবশ্যই কোলন (:) মুক্ত হতে হবে, তবে আবেগ বা গুরুত্ব বোঝাতে অন্যান্য যতিচিহ্ন (যেমন বিস্ময়সূচক চিহ্ন ‘!’ বা প্রশ্নবোধক চিহ্ন ‘?’ কমা ‘,’) ব্যবহার করা যাবে। নিয়ম: – শুধুমাত্র ১টি শিরোনাম দেবেন – কোন ব্যাখ্যা, তালিকা বা একাধিক অপশন দেবেন না – শুধুমাত্র শিরোনামটি লিখবেন, অন্য কিছু নয় সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্তির ফাঁদ! ‘ইনফিনিট স্ক্রোল’ বন্ধে কেন্দ্রকে তিন সপ্তাহের আলটিমেটাম হাইকোর্টের
বার্তা ডেস্কঃ
September 16, 20267:45 pm
ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে ‘ইনফিনিট স্ক্রোল’ এবং ‘অটোপ্লে’-র মতো আসক্তিকর ফিচারগুলোতে লাগাম টানতে কেন্দ্র সরকারের নীতিগত অবস্থান জানতে চাইল দিল্লি হাইকোর্ট। সোশ্যাল মিডিয়ার মনস্তাত্ত্বিক ফাঁদ ও আসক্তি নিয়ে দায়ের হওয়া একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রকে আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে জবাব দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে।
মনস্তাত্ত্বিক কায়দা ও অ্যাপের ক্ষতিকর কাঠামো
মামলাকারী আইনের অধ্যাপক বিকাশ কাঠুরিয়া আদালতে স্পষ্ট জানান, আসল সমস্যা সোশ্যাল মিডিয়ার কন্টেন্টে নয়, বরং এর অ্যালগরিদম ও অ্যাপের বিশেষ ডিজাইনে। ব্যবহারকারীদের অনবরত আটকে রাখার জন্য অ্যাপগুলোতে বেশ কিছু কৌশল ব্যবহার করা হয়:
- ইনফিনিট স্ক্রোল ও অটোপ্লে: ভিডিওর পর ভিডিও নিজেই চলতে থাকা এবং ফিড কখনো শেষ না হওয়ার ফলে ব্যবহারকারীরা সময়জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
- লাইক ও নোটিফিকেশন: ‘লাইক’ বোতাম এবং ঘনঘন আসা নোটিফিকেশন মানুষের মস্তিষ্কে কৃত্রিম উদ্দীপনা জোগায়, যা ধীরে ধীরে তীব্র মানসিক আসক্তিতে রূপ নেয়।
সুরক্ষায় বিশেষজ্ঞ কমিটির আবেদন
মামলাকারীর আইনজীবীদের মতে, শিশু ও উঠতি বয়সের তরুণদের সুরক্ষায় জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশন (NCPCR) এবং কেন্দ্র সরকারকে অবিলম্বে এই আসক্তিকর ফিচারগুলো নিয়ন্ত্রণ বা নিষিদ্ধ করতে হবে। এই প্রযুক্তিগত কৌশলগুলোর ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারির জন্য একটি পৃথক বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনেরও দাবি জানানো হয়েছে।
সরকারের পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল জানান, বিষয়টি নিয়ে নীতি নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা থাকলেও আদালতের কাছে সরকারের চূড়ান্ত নির্দেশ জানাতে সময়ের প্রয়োজন। তিন সপ্তাহ পর হাইকোর্টে এই মামলার পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।