দিল্লি পুলিশকে খোলা চ্যালেঞ্জ, যন্তর মন্তরেই কি সমাধান?

বার্তা ডেস্কঃ

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে আগামী ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে আরও একপ্রস্থ বড় আন্দোলনের হুঙ্কার দিল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, পুলিশ যেখানেই তাঁদের আটকাবে, সেই জায়গাটাই পরবর্তী সময়ে ‘যন্তর মন্তর’ হয়ে উঠবে। দেশের সমগ্র যুবসমাজকে এই গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে সামিল হওয়ার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মুম্বইয়ে সফল সভা ও কড়া নিরাপত্তা

এর আগে গত শুক্রবার গান্ধী জয়ন্তীতে সমস্ত পুলিশি নিষেধাজ্ঞা ও কড়া নিরাপত্তাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মুম্বইয়ের ঐতিহাসিক শিবাজি পার্কে বিশাল এক জনসভার নেতৃত্ব দেন সিজেপি নেতারা। পুলিশের আনুমানিক হিসাব অনুযায়ী, এ দিন প্রায় ৯ থেকে ১০ হাজার মানুষ জমায়েত হলেও, সংগঠনের দাবি—লক্ষাধিক মানুষের ঢল নেমেছিল। তবে যন্তর মন্তরের মতো এখানে কোনও বড় ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়নি; বরং শান্তিপূর্ণভাবেই সমাপ্ত হয় সভা।

দিল্লি পুলিশকে চরম হুঁশিয়ারি ও নেপথ্যের কারণ

শুক্রবার গভীর রাতে সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলে ‘দিল্লি চলো’র ডাক দেন অভিজিৎ দীপকে। অতীতে নিট কেলেঙ্কারি বা সংসদ ভবন অভিযানের সময় পুলিশের নির্মম দমনপীড়নের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, তাঁরা মহাত্মা গান্ধীর অহিংস পথেই আন্দোলন করবেন। এখন দেখার বিষয়, সরকার ও দিল্লি পুলিশ তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকারকে সম্মান জানায় কি না, নাকি গত ২০ জুলাইয়ের মতো আবারও পুলিশি বাধার মুখে পড়তে হয়।

মূল দাবিগুলি কী কী?

মূলত তিনটি সুনির্দিষ্ট দাবিতে এই আন্দোলনের ঝড় তুলেছে সিজেপি: ১. মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে পদত্যাগ এবং তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের।

২. এসআইআর-পূর্ববর্তী পুরনো ভোটার তালিকা ফিরিয়ে আনা।

৩. ২০২৩ সালে মোদী সরকারের আনা বিতর্কিত নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন বাতিল করা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *