নন্দীগ্রামে হেরেও ‘নৈতিক জয়’, অধীরের হুঙ্কারে তুঙ্গে শোরগোল!
বার্তা ডেস্কঃ
সাম্প্রতিক নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে পারদ চড়েছিল তুঙ্গে। ভোটের দিন ঘোষণা থেকে শুরু করে একের পর এক চাঞ্চল্যকর মোড় দেখা যায়—তৃণমূলের প্রতীক সংক্রান্ত জট থেকে শুরু করে ভোটের ঠিক মুখেই ২৭ বছরের পুরোনো মামলায় কংগ্রেস প্রার্থীর আচমকা গ্রেফতারি! সব রাজনৈতিক নাটকীয়তা পেরিয়ে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ পেতেই তৈরি হলো এক অভাবনীয় চমক।
তীব্র মেরুকরণ ও প্রতিযোগিতার মধ্যেও কংগ্রেস প্রার্থীর দ্বিতীয় স্থান দখল করাটা রাজ্য রাজনীতির অলিন্দে এখন মূল আলোচনার বিষয়। আর এই ফলাফলেই প্রকৃতপক্ষে নিজেদের ‘নৈতিক জয়’ দেখছেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী।
ফলাফল ঘোষণার পর মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে অধীর চৌধুরী অভিযোগ করেন, “ভোটের নামে রাজ্যে আসলে এক ছদ্ম সন্ত্রাস চালানো হয়েছে। প্রকাশ্যে রক্তপাত না হলেও নীরব সন্ত্রাসের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে ধুলিসাৎ করা হয়েছে। নন্দীগ্রামে ভোটের নামে যা হয়েছে, তা প্রহসন ছাড়া আর কিছুই নয়।”
ভোটের ঠিক আগে দলীয় প্রার্থীর গ্রেফতারির প্রসঙ্গে সরব হয়ে বর্ষীয়ান এই কংগ্রেস নেতা আরও বলেন, “আইনকানুনের তোয়াক্কা না করে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে আমাদের প্রার্থী মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। কিন্তু এত প্রতিকূলতা ও ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও নন্দীগ্রামের মানুষ তাঁর ওপর পূর্ণ ভরসা রেখেছেন এবং তাঁকে দ্বিতীয় স্থানে বসিয়েছেন। সব বাধার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে এই ফল অর্জন করাটাই আমাদের কাছে সবচেয়ে বড় নৈতিক জয়।”