কমিশনের কাজে অনিয়ম, চিঠি পেয়েও কেন নীরব মোদি সরকার?
বার্তা ডেস্কঃ
নির্বাচন কমিশনের অন্দরে দানা বাঁধা অসন্তোষ ঘিরে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পাশ কাটিয়ে দুই সহকারী নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশীর পাঠানো চিঠি হাতে পেলেও তাতে সরাসরি কোনো পদক্ষেপ করেনি মোদি সরকার। আরটিআই মারফত জানা গিয়েছে, ক্যাবিনেট সচিবালয় এই চিঠিগুলোকে ব্যক্তিগত বলে গণ্য করায় সরকারের তরফ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ করা হয়নি। সচিবালয়ের যুক্তি ছিল, কমিশনের তরফ থেকে প্রাতিষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ জমা না পড়ায় ব্যক্তিগত চিঠির ভিত্তিতে হস্তক্ষেপ করা কমিশনের স্বাধীন কার্যকলাপে হস্তক্ষেপের শামিল হতো।
গত ২৯ জুলাই কাজের বণ্টন সংক্রান্ত একটি বিতর্কিত আদেশের প্রতিবাদে এই চিঠিগুলি পাঠানো হয়েছিল বলে জানা যায়। কমিশনারদের অভিযোগ ছিল, তাঁদের অগোচরেই রীতির বাইরে গিয়ে কাজের পুনর্বণ্টন করা হয়েছে, যা নির্বাচনী তালিকার আইটি কাঠামোর তদারকি ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দিচ্ছে। যদিও পরবর্তী সময়ে সেই বিতর্কিত বণ্টন আদেশটি বাতিল করা হয় এবং নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয় যে ওই চিঠিগুলি তাদের নীতিগত বা আইটি বিভাগের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল না। তা সত্ত্বেও সর্বোচ্চ স্তরের প্রশাসনিক দপ্তরে এমন চিঠি পৌঁছানো এবং সরকারের নীরবতা দেশজুড়ে নতুন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।