যমরাজকেও খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল, স্বামীকে বাঁচাতে কী করেছিলেন এই নারী?

বার্তা ডেস্কঃ যমরাজকেও খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল, স্বামীকে বাঁচাতে কী করেছিলেন এই নারী?

২০২৬ সালের ধনতেরাস: সমৃদ্ধি ও সুস্বাস্থ্যের অপেক্ষায় প্রহর গোনা

পঞ্জিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৬ নভেম্বর শুক্রবার উদযাপিত হবে পবিত্র ধনতেরাস উৎসব। কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের ত্রয়োদশী তিথিতে পালিত এই উৎসবটি মূলত পাঁচ দিনব্যাপী দীপাবলির সূচনালগ্ন হিসেবে পরিচিত। ‘ধন’ বা সম্পদ এবং ‘তেরাস’ বা ত্রয়োদশী তিথির সম্মিলনে আয়োজিত এই বিশেষ দিনে ভক্তরা মূলত সমৃদ্ধি ও সুস্বাস্থ্যের কামনায় ধন্বন্তরী দেব ও মা লক্ষ্মীর আরাধনা করে থাকেন।

পৌরাণিক আখ্যান ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধন

পৌরাণিক মতে, সমুদ্রমন্থনের সময় এই তিথিতেই আয়ুর্বেদ ও স্বাস্থ্যের দেবতা ধন্বন্তরী সুধার ভাণ্ডার নিয়ে আবির্ভূত হয়েছিলেন। তাঁর স্মরণে এবং অকালমৃত্যু রোধের বিশ্বাস থেকে ধনতেরাসের রাতে সোনা, রূপা বা নতুন ধাতু কেনার রীতি প্রচলিত। প্রচলিত কাহিনি অনুযায়ী, রাজকুমারকে যমরাজের কবল থেকে রক্ষা করতে রাজবধূর প্রদীপ ও অলঙ্কারের আলোয় যে বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ হয়েছিল, সেই থেকেই অকালমৃত্যু এড়াতে যমরাজের উদ্দেশ্যে প্রদীপ জ্বালানোর প্রথাটি সমাজমনে গেঁথে আছে।

ধাতব বস্তু কেনা ও ধর্মীয় আচারের মাধ্যমে সংসারের অভাব-অনটন দূর করার বিশ্বাসই এই উৎসবের মূল প্রাণশক্তি। এই বিশেষ দিনে গৃহদেবতার আরাধনা ও নতুন কেনাকাটা পরিবারে অক্ষয় সমৃদ্ধি ও সুস্থতা বয়ে আনবে বলে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন। আধুনিক যুগেও এই পরম্পরা কেবল আর্থিক সমৃদ্ধির প্রতীক নয়, বরং সুস্বাস্থ্য ও সুরক্ষার এক প্রতীকী বার্তা বহন করে।

এক ঝলকে

  • তিথি: ২০২৬ সালের ৬ নভেম্বর, শুক্রবার।
  • তাৎপর্য: পাঁচ দিনব্যাপী দীপাবলির সূচনা ও স্বাস্থ্য দেবতা ধন্বন্তরীর আরাধনা।
  • প্রথা: অকালমৃত্যু এড়াতে যমরাজের উদ্দেশ্যে প্রদীপ দান এবং সমৃদ্ধি কামনায় সোনা-রূপা বা নতুন বাসন কেনা।
  • মূল উদ্দেশ্য: সংসারে শান্তি, সমৃদ্ধি ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *