লজ্জাজনক হারের পর ট্রাম্পের সাফাই, আমি তো ব্যালটে ছিলাম না!
বার্তা ডেস্কঃ
মার্কিন নির্বাচনে ট্রাম্পের ধাক্কা: জনরোষে বড় জয় ডেমোক্র্যাটদের
ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয়, আকাশছোঁয়া মুদ্রাস্ফীতি এবং বিতর্কিত পররাষ্ট্রনীতির মতো সংবেদনশীল ইস্যুতে সাধারণ আমেরিকানদের ক্ষোভের প্রতিফলন ঘটল সাম্প্রতিক নির্বাচনে। রিপাবলিকান পার্টির দীর্ঘদিনের সুরক্ষিত ঘাঁটিগুলো হারিয়ে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থীরা অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছেন। উত্তর ক্যারোলাইনা, ওহায়ো ও টেক্সাসের মতো রাজ্যগুলোতে খোদ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ব্যক্তিগত প্রচারণাকে উপেক্ষা করে ভোটাররা ডেমোক্র্যাটদের পক্ষেই রায় দিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনকে নিজের ব্যক্তিগত লড়াইয়ে রূপান্তরের খেসারত দিতে হয়েছে ট্রাম্পকে, যার দায় এখন সম্পূর্ণভাবে তার ওপরই বর্তেছে।
ট্রাম্পের কৌশলে পরিবর্তন ও সম্ভাব্য রাজনৈতিক সংকট
নির্বাচনের আগে ট্রাম্প দম্ভভরে জানিয়েছিলেন যে, ফলাফল যাই হোক তিনি নিজের সিদ্ধান্তে অটল থেকে দেশ চালাবেন। তবে বড় ধরনের ভরাডুবির পর তার সুর এখন বেশ নমনীয়। তিনি ব্যালটে নিজে ছিলেন না বলে পরাজয়ের দায় এড়িয়ে গেলেও, শেষ পর্যন্ত ফলাফল মেনে নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তবে সেনেটের দখল ডেমোক্র্যাটদের হাতে চলে যাওয়ায় পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করেছে। আগামী দিনে ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি নির্ধারণ এবং ক্যাবিনেট নিয়োগের ক্ষেত্রে বিরোধী দলের প্রবল বাধার মুখে পড়ার আশঙ্কা করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
এক ঝলকে
- মুদ্রাস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির কারণে সাধারণ ভোটারদের তীব্র ক্ষোভের প্রকাশ ঘটেছে।
- রিপাবলিকানদের অনেক শক্তিশালী ঘাঁটি দখল করে ডেমোক্র্যাটরা বড় ধরনের নির্বাচনী জয় পেয়েছে।
- প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ব্যক্তিগত প্রভাব ও প্রচারণা সত্ত্বেও ভোটাররা পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন।
- সেনেটে ডেমোক্র্যাটদের আধিপত্যের ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের পরবর্তী সিদ্ধান্তগুলো বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।