আবার বসছে সেবা সেতু ক্যাম্প, জেনে নিন আবেদনের সময়সূচী!
বার্তা ডেস্কঃ 
রাজ্যে ফের শুরু হচ্ছে জনকল্যাণ শিবির, মিলবে একগুচ্ছ সরকারি প্রকল্পের সুবিধা
নিজস্ব প্রতিবেদন: উৎসবের মরসুম শেষ হতেই সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দিতে ফের উদ্যোগী হলো রাজ্য সরকার। আগামী নভেম্বর মাসের শেষভাগ অথবা ডিসেম্বর মাসে রাজ্যজুড়ে নতুন করে ‘জনকল্যাণ শিবির’ বা ‘সেবা সেতু’ অভিযানের আয়োজন করা হচ্ছে। গ্রাম পঞ্চায়েত ও পুরসভা স্তরে আয়োজিত এই শিবিরের মাধ্যমে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার পথ আরও সুগম করতে চাইছে প্রশাসন।
সরকারি দফতরে বারবার যাতায়াত না করে একই জায়গায় বসে যাতে সাধারণ মানুষ পরিষেবা সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে পারেন, তা-ই এই শিবিরের মূল লক্ষ্য। বিশেষত যারা বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা থেকে এখনও বঞ্চিত বা নতুন করে আবেদন করতে ইচ্ছুক, তাদের জন্য এই শিবির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শিবিরে যে সব পরিষেবা পাওয়া যাবে:
এই শিবির থেকে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে নতুন করে আবেদন ও নাম নথিভুক্ত করা যাবে। এছাড়া আগে জমা দেওয়া আবেদনপত্রের ভুল সংশোধন, আটকে থাকা আবেদনের নথি যাচাই, আধার কার্ডের সঙ্গে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সংযুক্তিকরণ এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরকারি অনুদান সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করা হবে। পাশাপাশি, বিভিন্ন প্রকল্পের যোগ্যতা ও আবেদন পদ্ধতি সম্পর্কেও প্রশাসনিক সহায়তা মিলবে।
কারা সুবিধা পাবেন ও কোন কোন প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত:
অন্নপূর্ণা যোজনা, বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা, দিব্যাঙ্গ ভাতা, পিএম কিষান সম্মান নিধি, আয়ুষ্মান ভারত, কন্যাশ্রী, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড এবং প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার মতো একাধিক রাজ্য ও কেন্দ্রীয় প্রকল্পে এখানে আবেদন করা যাবে। কৃষক, শিক্ষার্থী, বয়স্ক নাগরিক এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মানুষজন তাদের সমস্যার কথা সরাসরি জানাতে পারবেন।
প্রয়োজনীয় নথি:
আগ্রহী আবেদনকারীদের সঙ্গে আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, রেশন কার্ড, ব্যাঙ্কের পাসবইয়ের প্রথম পাতার জেরক্স, পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি, সচল মোবাইল নম্বর এবং প্রয়োজন অনুযায়ী জাতিগত শংসাপত্র, শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র কিংবা জমির দলিল সাথে রাখার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।
দিনক্ষণ ও ঘোষণা:
গত ২ অক্টোবর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে সফলভাবে ‘সেবা সেতু’ অভিযান পরিচালিত হয়েছিল। সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এবার দ্বিতীয় দফার শিবির আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, শীঘ্রই স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে মাইকিং করে প্রতিটি এলাকার শিবিরের নির্দিষ্ট তারিখ ও স্থান জানিয়ে দেওয়া হবে। সাধারণ মানুষকে সরকারি নির্দেশিকা মেনে সংশ্লিষ্ট শিবিরে যোগদানের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।