২৬ বছরের শত্রুতার অবসান কি সালমানের হাতে? বিষ্ণোই সমাজের ডাকে নজিরবিহীন নাটক!

বার্তা ডেস্কঃ

 

কৃষ্ণসার হরিণ শিকার কাণ্ডে সালমান খানকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের

নিজস্ব প্রতিবেদন: ১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিনেতা সালমান খান ও বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের মধ্যে যে দীর্ঘদিনের বিবাদ চলছে, তার ইতি টানতে নতুন প্রস্তাব দিলেন লরেন্স বিষ্ণোইয়ের কাকা রমেশ বিষ্ণোই। তিনি জানিয়েছেন, রাজস্থানের বিকানেরের ঐতিহাসিক ‘মুক্তিধাম মুকাম’ মন্দিরে এসে সালমান খান যদি প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করেন, তবে এই সমস্যার চিরস্থায়ী সমাধান সম্ভব।

বিষ্ণোই সমাজের ৫৪২তম প্রতিষ্ঠা দিবসের এক অনুষ্ঠানে রমেশ বিষ্ণোই বলেন, “বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের ধর্মীয় ভাবাবেগকে সম্মান জানিয়ে সালমান খান ক্ষমা চাইলে দীর্ঘদিনের এই ক্ষোভ ও ঝামেলার অবসান ঘটবে।” তিনি আরও জানান, সালমান খানের সঙ্গে বিষ্ণোই সমাজের কোনো ব্যক্তিগত বিদ্বেষ নেই। তবে ১৯৯৮ সালে যোধপুরের কাঙ্কানি গ্রামে কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের ঘটনাটি এই সম্প্রদায়ের মানুষের মনে গভীর ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

সম্প্রতি লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হিংসাত্মক কার্যকলাপ এবং অভিনেতাকে দেওয়া হুমকির বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন রমেশ। তিনি বলেন, “আমি কোনো ধরনের হিংসার পথ সমর্থন করি না। লরেন্স ও তাঁর সহযোগীদের আমি বরাবরই হিংসার পথ ত্যাগ করার পরামর্শ দিয়েছি।” একই সঙ্গে তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, সালমান খান যদি ক্ষমা চাওয়ার জন্য মন্দিরে আসেন, তবে তাঁকে সম্পূর্ণ নিরাপত্তা দেওয়া হবে। অভিনেতার পরিবারের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার যে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে, তা অনর্থক বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, বিষ্ণোই সম্প্রদায় কৃষ্ণসার হরিণকে অত্যন্ত পবিত্র ও পূজনীয় মনে করে। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা এই বিরোধের প্রেক্ষাপটে লরেন্স বিষ্ণোইয়ের কাকার এই প্রস্তাব অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এখন অভিনেতা সালমান খান এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে কোনো পদক্ষেপ নেন কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে বিনোদন জগতের।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *