১২ ঘণ্টা ডিউটির পরেও শান্তি নেই! লগআউট করায় ফ্রেশারকে বস যা বললেন, তোলপাড় নেটদুনিয়া!
বার্তা ডেস্কঃ
অতিরিক্ত কাজের চাপ ও কর্মক্ষেত্রের সংঘাত: এক আইটি কর্মীর সাহসী অবস্থান
একটি আইটি প্রকল্পের জটিল সমস্যা সমাধানের জন্য টানা তিন দিন রাত জেগে কাজ করার পরও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার রোষানলে পড়েছেন এক তরুণ সফটওয়্যার প্রকৌশলী। পাঁচ মাস ধরে অতিরিক্ত কাজের চাপে জর্জরিত ওই কর্মী শনি, রবি ও সোমবার বিরতিহীনভাবে দায়িত্ব পালনের পর মঙ্গলবার রাতে লগ আউট করলে এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়। কাজের চাপে নিজের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দেওয়ায় বসের তিরস্কারের মুখে পড়েন তিনি।
কাজের সীমা বনাম পেশাদারিত্বের বিতর্ক
কর্মকর্তার অভিযোগ ছিল, লগ আউট করার আগে কর্মীর তাকে জানানো উচিত ছিল। এর জবাবে ওই কর্মী অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, ক্লায়েন্টের কাজ সামলাতে গিয়ে তিনি নিজের খাওয়া, ঘুম ও স্নান বিসর্জন দিতে পারেন না। কাজের প্রয়োজনে তিনি যে পর্যায়ের নিষ্ঠা দেখিয়েছেন, তাতে বসের এমন আচরণ অপ্রত্যাশিত ছিল। এই ঘটনা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যা কর্মক্ষেত্রে কর্মজীবনের ভারসাম্য (Work-Life Balance) নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
ঘটনার প্রভাব ও ভবিষ্যৎ
এই ঘটনায় কো ম্পা নির অমানবিক কাজের সংস্কৃতি ও কর্মীর প্রাপ্য অধিকারের বিষয়টি সামনে চলে এসেছে। অতিরিক্ত শ্রম দেওয়ার পরও যথাযথ মূল্যায়ন না পাওয়ায় কর্মীর এই সাহসী প্রতিক্রিয়া কর্পোরেট জগতে এক নতুন নজির তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, নিয়মিত এমন অতিরিক্ত কাজের চাপ কর্মীদের উৎপাদনশীলতা কমিয়ে দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ করে।
এক ঝলকে
- টানা তিন দিন রাত জেগে প্রকল্পের ত্রুটি সংশোধনের পরও সামান্য বিলম্বের কারণে বসের তিরস্কারের শিকার কর্মী।
- অতিরিক্ত কাজের চাপের প্রতিবাদে কর্মী সাফ জানিয়ে দেন, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ও বিশ্রামের বিনিময়ে তিনি কাজ করতে পারবেন না।
- ঘটনার চ্যাট সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ায় পেশাদার কর্মক্ষেত্রে মানসিকভাবে সুস্থ থাকার অধিকার নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে।