নির্বাচন কমিশনের ওপর হাইকোর্টের ক্ষোভ, পোলিং ডিউটি থেকে বাদ পড়লেন অধ্যাপকরা!
২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের সহকারী অধ্যাপকদের বাধ্যতামূলকভাবে পোলিং বা প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের একক বেঞ্চ শুক্রবার এই নির্দেশ দিয়ে জানিয়েছে, উপযুক্ত পরিকল্পনা ও যৌক্তিক কারণ ছাড়া অধ্যাপকদের এভাবে নির্বাচনের কাজে বাধ্য করা যায় না। আদালত তার পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট করেছে যে, আইনের দোহাই দিয়ে যেকোনো পেশার মানুষের ওপর দায়িত্ব চাপানো অনুচিত, বিশেষত যখন তা শিক্ষকদের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করে।
তবে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, যে সমস্ত অধ্যাপক স্বেচ্ছায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে আগ্রহী এবং যাদের প্রশিক্ষণ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, তাঁরা চাইলে কাজটি করতে পারবেন। এই রায়ের ফলে বাধ্যতামূলকভাবে দায়িত্ব পালনের চাপ থেকে মুক্তি পেলেও, নির্বাচনের আগে বিপুল সংখ্যক পোলিং স্টাফের বিকল্প ব্যবস্থা করা এখন নির্বাচন কমিশনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অধ্যাপকদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল, প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকার ফলে তাঁদের নিয়মিত পঠনপাঠন ও গবেষণার ক্ষতি হয়, যা এই রায়ের মাধ্যমে সুরাহা হলো।