মমতা বনাম কাকলি, তৃণমূলের অন্দরে কি তবে বড় ভাঙন?

বারাসাতের চারবারের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের সমাজমাধ্যমে করা একটি বিস্ফোরক পোস্টকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের ভাঙন নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। ৪ জুনের লোকসভা নির্বাচনে দলের ভরাডুবির জন্য পরোক্ষে সরকারের নীতি ও ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন তিনি। দলীয় নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর আগে বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর পুত্রকে টিকিট না দেওয়ার জেরে কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে ‘বেসুরো’ বলে কটাক্ষ করলেও, পাল্টা জবাবে সাংসদ জানিয়েছেন, তিনি ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, বরং মানুষের জনমতের কথা তুলে ধরছেন।

তৃণমূলের অন্দরে এই টানাপোড়েনের সূত্রপাত লোকসভায় দলের মুখ্যসচেতক পদ থেকে কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে সরিয়ে দেওয়ার পর থেকেই। এর পাশাপাশি বিধানসভায় দলের ৫৯ জন বিধায়কের একাংশের প্রকাশ্যে বিদ্রোহ এবং মুখ্যমন্ত্রীর মনোনীত বিরোধী দলনেতার পরিবর্তে অন্য কাউকে চেয়ে চিঠি দেওয়ার বিষয়টি তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সংকটকে আরও স্পষ্ট করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্ষীয়ান নেতাদের এহেন প্রকাশ্য ক্ষোভ এবং স্থানীয় সাংসদদের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ও বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগের জল্পনা তৃণমূলের সাংগঠনিক দুর্বলতা ও সমন্বয়ের অভাবকেই প্রকট করছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *