দেশের যুবসমাজ কারও হাতের পুতুল নয়, ককরোচ পার্টিকে তীব্র আক্রমণ নীতীন নবীনের!

দিল্লির যন্তর মন্তরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিশাল প্রতিবাদ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতিতে তীব্র তরজা শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, শিক্ষা ব্যবস্থার ডিজিটালাইজেশন, মণিপুরে পঠনপাঠন স্বাভাবিক করা, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়ন এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বচ্ছতা—এই পাঁচটি দাবিতে দলটি সরকার-বিরোধী আন্দোলন শুরু করেছে। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীন শনিবার রাঁচির এক অনুষ্ঠানে ককরোচ পার্টির কড়া সমালোচনা করেন। তিনি তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল শক্তির অপব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়ে বলেন, বিদেশের মাটিতে বসে গুটিকতক মানুষ ভারতের যুবসমাজকে ব্যবহার করতে পারবে না।
এই রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনস্থ দিল্লি পুলিশ এই বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়ার পাশাপাশি ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপককে বিশেষ নিরাপত্তাও প্রদান করেছে। বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের কড়া অবস্থান এবং প্রশাসনের এই নমনীয়তা জাতীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। শিক্ষাব্যবস্থা ও যুব ভোটব্যাঙ্ককে কেন্দ্র করে আগামী দিনে দেশের রাজনীতিতে বড়সড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।