বিচারপতিদের বারবার আক্রমণ, তৃণমূল সেনাপতির ভাগ্য কি এবার আদালতের হাতেই?
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বড়সড় অস্বস্তির মুখে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কয়লা পাচার এবং শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির মতো একাধিক গুরুতর মামলায় আইনি জট এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সাঁড়াশি চাপে জর্জরিত তিনি। একসময়ের দাপুটে এই নেতার রাজনৈতিক প্রভাব ক্রমশ সংকুচিত হয়ে আসছে। বর্তমানে গ্রেফতারি এড়াতে আদালতের রক্ষাকবচের ওপরই তাঁর সম্পূর্ণ নির্ভরতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কোনো আইনি রক্ষাকবচ না থাকায় ইডির তলব মেনে হাজিরা দেওয়া ছাড়া তাঁর সামনে আর কোনো বিকল্প পথ খোলা নেই।
কয়লা ও নিয়োগ দুর্নীতির পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আরও বেশ কিছু অভিযোগের পাহাড় জমেছে। এর মধ্যে রয়েছে সই জালিয়াতির মামলা, নির্বাচনী পরবর্তী সময়ে উসকানিমূলক মন্তব্য, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য এবং ২০১৮ সালের একটি মারধরের অভিযোগ। এছাড়া আমফানের ত্রাণ তহবিলে ২৫০ কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগে বিষ্ণুপুর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলা দায়ের হয়েছে। এইসব ফৌজদারি ও দুর্নীতির মামলার আইনি লড়াই এবং কেন্দ্রীয় এজেন্সির লাগাতার তদন্তের ফলে তিনি কেবল ব্যক্তিগতভাবে নয়, রাজনৈতিকভাবেও ঘোর সংকটের মুখে পড়েছেন বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।