জুলাই সনদ না মানলে কি হাসিনার মতো করুণ পরিণতি হবে তারেকেরও!
‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন নিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। এই সনদের ৪৮টি প্রস্তাব বাস্তবায়নের দাবিতে জাতীয় সংসদে সম্মানজনক সমাধান না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। জনসমর্থিত এই সনদের বিষয়ে কোনো ধরনের আপস বা বিশ্বাসঘাতকতা করা হবে না বলে দলটি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে।
রাজনৈতিক এই সংকট শুরু হয় গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে। নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও একই দিনে অনুষ্ঠিত গণভোটে দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ জুলাই সনদের ভিত্তিতে রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে রায় দেয়। জামায়াত আমির জানান, জনগণ সংবিধান ‘সংস্কারের’ পক্ষে রায় দিয়েছে, ‘সংশোধনের’ জন্য নয়। তাই সরকার সংবিধান সংশোধনের জন্য কোনো কমিটি গঠন করলে বিরোধী দল তাতে প্রতিনিধি পাঠাবে না বলে তিনি ঘোষণা দেন। অতীতের মতো সরকারের আজ্ঞাবহ বিরোধী দল না হয়ে জনস্বার্থে সংসদে ও রাজপথে জোরালো ভূমিকা পালন করবে বলে দলটি জানিয়েছে।
গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারকে চাপে রাখতে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট দেশব্যাপী বিক্ষোভ, সমাবেশ ও গণসংযোগসহ দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচির প্রস্তুতি নিয়েছে। পাশাপাশি ইসলামী ছাত্রশিবির ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসও রাজপথে সক্রিয় হয়েছে। সদ্য গঠিত সরকার জুলাই সনদের বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে দেশের রাজনীতিতে অস্থিরতা এবং বড় ধরনের রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।