হেয়ার কালারের আড়ালে লুকিয়ে মৃত্যুফাঁদ! কেন্দ্রের সতর্কবার্তায় বাড়ছে উদ্বেগ
হেয়ার কালার বা কৃত্রিম রঙ ব্যবহারের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে দেশের ড্রাগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিডিএসসিও (CDSCO) সম্প্রতি কঠোর নির্দেশিকা জারি করেছে। ব্যুরো অব ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস (BIS) এবং কসমেটিকস রুলস ২০২০ অনুযায়ী, এখন থেকে হেয়ার কালারের প্যাকেটের গায়ে ক্ষতিকর উপাদান এবং সতর্কবার্তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই নির্দেশিকার লক্ষ্য হলো অনিয়ন্ত্রিত ও ক্ষতিকর রাসায়নিকযুক্ত পণ্যের ব্যবহার কমিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হেয়ার কালারে ব্যবহৃত অ্যামোনিয়া, হাইড্রোজেন পারক্সাইড, রিসোর্সিনল এবং প্যারা-ফেনিলিনডায়ামিন (PPD)-এর মতো উপাদানগুলো স্বাস্থ্য ও ত্বকের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। বিশেষ করে পিপিডি নামক উপাদানটি তীব্র অ্যালার্জি, ত্বকের প্রদাহ (ডার্মাটাইটিস), মুখ ফুলে যাওয়া এবং দীর্ঘস্থায়ী পিগমেন্টেশন সৃষ্টির মূল কারণ। এছাড়া বিভিন্ন রাসায়নিক চুল রুক্ষ করে তোলা, চুল পড়ার প্রবণতা বাড়ানো এবং ত্বকের বিদ্যমান রোগ যেমন একজিমা বা সোরিয়াসিসকে জটিল করে তুলতে পারে। চিকিৎসকরা ঝুঁকি এড়াতে যেকোনো হেয়ার কালার ব্যবহারের ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা আগে ত্বকে ‘প্যাচ টেস্ট’ করার পরামর্শ দিয়েছেন।