রামমন্দির অনুদান কেলেঙ্কারি: সিট রিপোর্টে ফাঁস চাঞ্চল্যকর তথ্য!

অযোধ্যার রামমন্দিরে ভক্তদের অনুদান ও গয়না তছরূপের মামলায় তদন্ত শেষ করে প্রায় ১৫০ পাতার অন্তর্বর্তী রিপোর্ট চূড়ান্ত করেছে যোগী সরকারের গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)। সোমবারের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের দফতরে জমা দেওয়া হবে এই রিপোর্ট। এতে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তার নাম এফআইআরে অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে। তদন্তের স্বার্থে ট্রাস্টের সদস্য ও মন্দির পদাধিকারীদের অযোধ্যা ছাড়ার ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

গত ১৩ জুন গঠিত তিন সদস্যের সিট তদন্তে নেমে ট্রাস্টের পদাধিকারী, ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। সিসিটিভি ফুটেজে টাকা গোনার সময় কর্মচারীদের অর্থ আত্মসাৎ করার দৃশ্য শনাক্ত করেছেন তদন্তকারীরা। অভিযুক্ত লবকুশ মিশ্রের বাড়ি থেকে ১২ লক্ষ টাকা উদ্ধারসহ রামশঙ্কর যাদব ও অনুকল্প মিশ্রসহ মোট পাঁচজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। রসিদ ছাড়াই পুণ্যার্থীদের সোনা ও রূপোর গয়না আত্মসাৎ করার অভিযোগও উঠেছে, যা ট্রাস্টের প্রভাবশালী আধিকারিকদের মদত ছাড়া সম্ভব ছিল না বলে সিটের দাবি।

ভবিষ্যতে আর্থিক অস্বচ্ছতা রোধে সিট তাদের রিপোর্টে কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের আদলে রামমন্দিরে একজন পূর্ণসময়ের সরকারি ‘প্রধান নির্বাহী আধিকারিক’ (সিইও) নিয়োগের সুপারিশ করেছে। একই সঙ্গে চুরির ঘটনার নৈতিক দায় নিয়ে ট্রাস্টের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী পদাধিকারীকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এই অন্তর্বর্তী রিপোর্ট পেশের পর অযোধ্যা মন্দির প্রশাসনে বড় ধরনের প্রশাসনিক রদবদল ঘটতে চলেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *