৪০ এজেন্টের আড়ালে রাম মন্দিরে কোটি টাকার জালিয়াতি, কীভাবে ধরা পড়ল এই চক্র?
অযোধ্যার রাম মন্দিরের দানবাক্স থেকে কোটি কোটি টাকা ও সোনা-রুপো চুরির ঘটনায় এক শক্তিশালী জালিয়াতি চক্রের হদিস মিলেছে। তদন্তে জানা গেছে, এই ঘটনায় ধৃত ৮ জনের মধ্যে ৭ জনই মন্দিরের টাকা গোনার প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। ট্রাস্টের অন্দরের এই চক্রটি অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে দীর্ঘ সময় ধরে এই জালিয়াতি চালিয়ে যাচ্ছিল।
তদন্তে উঠে এসেছে যে, মন্দিরের ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদকের গাড়িচালক থেকে প্রভাবশালী হয়ে ওঠা রামশঙ্কর যাদব ওরফে টিঙ্কু এবং অবসরপ্রাপ্ত ব্যাঙ্ক আধিকারিক সুভাষ শ্রীবাস্তব ছিলেন এই চক্রের মূল হোতা। এদের পাশাপাশি টাকা গোনার দায়িত্বপ্রাপ্ত বেসরকারি সংস্থার ৬ কর্মী— অনুকল্প মিশ্র, অবিনাশ শুক্লা, লবকুশ মিশ্র, মনীশকুমার যাদব, করুণেশ পাণ্ডে ও রমাশঙ্কর মিশ্র— বিভিন্ন কৌশলে টাকার হিসাবে গরমিল করতেন। কেউ ভুয়ো রসিদ তৈরি করতেন, কেউ আবার টাকা স্থানান্তরের সময় জালিয়াতি করতেন। ট্রাস্টের কর্মকর্তাদের বিশ্বাসকে পুঁজি করে কীভাবে তারা এই কর্মকাণ্ড চালাতেন, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এর পেছনে আরও বড় কোনো নেটওয়ার্ক রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।