মায়ের পচাগলা দেহ ঘরে রেখে ১৭.৫ কোটি টাকার হদিস, আত্মীয়দের কাণ্ডে শোরগোল!
মুম্বাইয়ের খার ওয়েস্ট এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে ৮৯ বছর বয়সী ডা. বীণা গুরুমুখ আদওয়ানির পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দেশজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। নিহত বৃদ্ধা তাঁর মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলে অনিল আদওয়ানির সঙ্গে বসবাস করতেন। গত বছরের ২৪ অক্টোবর প্রতিবেশীদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দরজা ভেঙে মায়ের মৃতদেহ উদ্ধার করে। দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত ৬০ বছর বয়সী অনিল মায়ের মৃত্যুর বিষয়টি বুঝতে না পারায় বেশ কিছুদিন তিনি মৃতদেহের সঙ্গেই বাস করছিলেন। বর্তমানে তাঁকে করজতের একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।
এই মর্মান্তিক ঘটনার আড়ালে প্রায় ১৭.৫ কোটি টাকার একটি সুপরিকল্পিত আর্থিক জালিয়াতির তথ্য সামনে এসেছে। নিহতের আত্মীয় দীপা ভাটিয়ার অভিযোগ অনুযায়ী, ডা. বীণার মৃত্যুর পর তাঁর এবং ছেলের যৌথ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে এই বিশাল অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। অভিযুক্ত অচল মাধবদাস ভাম্বানি এবং মহেন্দ্র দেবকীনন্দন চোহিত্রমানি গত বছরের ১৪ নভেম্বর মৃত্যুর শংসাপত্র সংগ্রহ করলেও ব্যাংককে বিষয়টি গোপন রাখে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে মৃত্যুর তথ্য না জানিয়ে তারা কৌশলে পুরো অর্থ নিজেদের অ্যাকাউন্টে সরিয়ে নেয়। এই ঘটনায় দীপা ভাটিয়ার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে খার থানা মামলা রুজু করেছে এবং পুলিশ ঘটনার তদন্ত জোরদার করেছে।