তুঘলক ক্রিসেন্টের নোটকাণ্ডে বিচারপতি যশবন্ত বর্মার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ কি সত্যি!
August 13, 2026
বার্তা ডেস্কঃ
দিল্লি: ২০২৫ সালের মার্চে দিল্লির ৩০ নম্বর তুঘলক ক্রিসেন্টের সরকারি বাংলোয় রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ড এবং সেখান থেকে উদ্ধার হওয়া বান্ডিল বান্ডিল ৫০০ টাকার নোটের ঘটনাটি ভারতের বিচার ব্যবস্থায় এক নজিরবিহীন বিতর্ক তৈরি করেছিল। সম্প্রতি লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা গঠিত তিন সদস্যের উচ্চপর্যায়ের বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি তাদের চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছে। রিপোর্টে দিল্লি ও এলাহাবাদ হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি যশবন্ত বর্মার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অসদাচরণের তিনটি অভিযোগই সম্পূর্ণ সত্য প্রমাণিত হয়েছে।
তদন্ত কমিটির রিপোর্টের তিনটি প্রধান দিক:
- নিয়ন্ত্রণ ও টাকার উৎস: পোড়া স্টোররুমটি নিজের নিয়ন্ত্রণে ছিল না বলে বিচারপতি দাবি করলেও কমিটি তা পুরোপুরি খারিজ করে দিয়েছে। কমিটি জানিয়েছে, বিপুল পরিমাণ সুবিন্যস্ত এই অর্থের কোনো বৈধ উৎস বা সন্তোষজনক ব্যাখ্যা তিনি দিতে পারেননি। তাঁর যুক্তিকে “বিভ্রান্তিকর” বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
- তথ্যপ্রমাণ নষ্টের চেষ্টা: অগ্নিকাণ্ডের পর ঘরটি সঙ্গে সঙ্গে সিল না করে তড়িঘড়ি পরিষ্কার করা হয়। এতে গুরুত্বপূর্ণ ভৌত প্রমাণ (Material Evidence) নষ্ট বা হাতবদল করার সুযোগ তৈরি হয়েছিল, যেখানে বিচারপতির ব্যক্তিগত সচিব ও গৃহকর্মীদের ভূমিকা ছিল।
- ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ: যদিও এই কমিটি সরাসরি সাজা ঘোষণা করতে পারে না, তবে উচ্চতর বিচারবিভাগে এমন দুর্নীতির প্রমাণ মেলা অত্যন্ত গুরুতর। এর ফলে সংসদে তাঁর বিরুদ্ধে অভিশংসন (Impeachment) বা কড়া আইনি পদক্ষেপের সম্ভাবনা জোরালো হলো।