আবহাওয়ার সতর্কতায় লাল, হলুদ ও কমলা সংকেতের আসল অর্থ কী, বৃষ্টির নিখুঁত হিসেব জানুন!
বার্তা ডেস্কঃ
দেশজুড়ে নিম্নচাপ ও ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে প্রায়শই তৈরি হচ্ছে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে প্রশাসন ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে সতর্ক করতে আবহাওয়া দফতর নানা রঙের সতর্কবার্তা জারি করে। মূলত বাতাসের গতিবেগ, বৃষ্টির পরিমাণ এবং বজ্রপাতের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয় এই ‘নাওকাস্ট’ বা তাত্ক্ষণিক এবং ‘ফোরকাস্ট’ বা আগাম পূর্বাভাস। আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলে ‘সবুজ সতর্কতা’ দেওয়া হলেও, মূলত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা এবং ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইলে জারি করা হয় ‘হলুদ সতর্কতা’।
বৃষ্টির পরিমাণের ওপর ভিত্তি করেই মূলত নির্ধারিত হয় এই সতর্কতার মাত্রা। আবহাওয়া দফতরের নিয়ম অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় ৬৫ থেকে ১১৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে তাকে ভারী বৃষ্টি বলা হয়। তবে বৃষ্টির পরিমাণ বেড়ে ১১৫ থেকে ২০৪ মিলিমিটারের মধ্যে পৌঁছালে এবং বাতাসে গতি বাড়লে ‘কমলা সতর্কতা’ জারি হয়। অন্যদিকে, একদিনে ২০৪ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত, অতি তীব্র গতিতে দমকা হাওয়া এবং ঘন ঘন বজ্রপাতের আশঙ্কা থাকলে জারি করা হয় ‘লাল সতর্কতা’, যা প্রবল দুর্যোগ বা অতিভারী বর্ষণের সংকেত দেয়।