বিষাক্ত ইনজেকশন নিয়েও অলৌকিকভাবে বেঁচে ফিরলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি!

বার্তা ডেস্কঃ

১৯৯৫ সালে সহপাঠীকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত মার্কিন নাগরিক ক্রিস্টা পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করাকে কেন্দ্র করে আমেরিকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ ৩২ বছর বন্দি থাকার পর টেনাসি রাজ্যের রিভারবেন্ড ম্যাক্সিমাম সিকিউরিটি ইনস্টিটিউটে বুধবার তাঁর মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। আদালত নির্দেশিত নিয়ম অনুযায়ী কয়েদিকে প্রাণঘাতী বিষাক্ত ইনজেকশন দেওয়া হলেও বিস্ময়করভাবে তাঁর মৃত্যু হয়নি। গত দুই শতাব্দীতে টেনাসিতে প্রথম কোনো নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার এই বিরল ঘটনাটি নিয়ে গোটা দেশে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছিল।

চিকিৎসকরা দ্বিতীয়বার পেনটোবারবিটাল নামের তীব্র বিষাক্ত ইনজেকশন প্রয়োগ করার পরও কয়েদির হৃদস্পন্দন সচল থাকে। চরম আশঙ্কাজনক অবস্থায় ও গোঙানির শব্দ শুনতে পেয়ে আইনজীবীরা দ্রুত জরুরি আবেদন জানান। শেষপর্যন্ত মৃত্যুদণ্ড স্থগিত রেখে কারা কর্তৃপক্ষ তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করতে বাধ্য হয়। বর্তমানে মার্কিন প্রশাসন একসময়ের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির জীবন রক্ষায় জীবনদায়ী চিকিৎসা প্রদান করছে, যা পুরো আইনি ব্যবস্থাকে এক নজিরবিহীন পরিস্থিতির মুখে দাঁড় করিয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *