বিধায়ক পদে ইস্তফা দিলেই উপনির্বাচন? জনগণের করের টাকা বাঁচাতে সুপ্রিম কোর্টের কড়া পদক্ষেপ!
বার্তা ডেস্কঃ
নির্বাচিত বিধায়কদের পদত্যাগ, দলবদল এবং পুনরায় একই আসনে উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রবণতায় লাগাম টানতে কড়া পদক্ষেপ করল শীর্ষ আদালত। বিধায়ক পদে ইস্তফা দিয়ে উপনির্বাচন ডেকে আনার ফলে সরকারি কোষাগারের বিপুল অর্থ অপচয় হচ্ছে—এই অভিযোগে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনের জবাব তলব করেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ সোমবার তামিলনাড়ুর মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক, বিধানসভা সচিবালয় এবং সংশ্লিষ্ট ছয় প্রাক্তন বিধায়ককেও নোটিস জারি করেছে। দলত্যাগ বিরোধী আইনি ফাঁককে কাজে লাগিয়ে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ এড়ানোর এই কৌশল সংবিধানের উদ্দেশ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলে মামলায় অভিযোগ তোলা হয়েছে।
আবেদনকারী আইনজীবী কে সুথান শীর্ষ আদালতে যুক্তি দেন যে, বিধানসভার আসন কোনও নেতার ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, বরং তা ভোটারদের প্রতিনিধিত্বের প্রতীক। দলীয় হুইপ অমান্য করে কিংবা ব্যক্তিগত স্বার্থে ইস্তফা দিয়ে পুনরায় ভোট লড়ার ফলে ভোটারদের সঙ্গে যেমন বিশ্বাসভঙ্গ হয়, তেমনই সাধারণ মানুষের উপর অনাবশ্যক আর্থিক বোঝাও চেপে বসে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ইস্তফাকারী বিধায়কদের থেকে উপনির্বাচনের সম্ভাব্য খরচ আগাম জমা নেওয়ার নির্দেশিকা জারির আবেদন জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, দলত্যাগে অভিযুক্ত বিধায়কদের অন্তত পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা থেকে বিরত রাখার দাবি জানিয়ে সাংবিধানিক ব্যবস্থার আইনি স্পষ্টতা চেয়েছে উচ্চতম আদালত।