বাঁকুড়ায় শোকের মাতম! কালীপুজোর দিনে ফিরল ৪ বন্ধুর দেহ, নিখোঁজ আরও এক
উত্তরাখণ্ডে তুষারঝড়ে মৃত বাঁকুড়ার চার অভিযাত্রীর দেহ ফিরল গ্রামে, শোকের ছায়া
বাঁকুড়া: উত্তরাখণ্ডে ট্রেকিং করতে গিয়ে তুষারঝড়ের কবলে পড়ে প্রাণ হারানো বাঁকুড়ার চার অভিযাত্রীর মরদেহ অবশেষে নিজ গ্রামে এসে পৌঁছেছে। আজ সকালে দমদম বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে দেহগুলি বাঁকুড়ার শালবনী ও কেশরা গ্রামে নিয়ে আসা হয়। দেহ গ্রামে পৌঁছাতেই শোকের পরিবেশ তৈরি হয়, কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবার-পরিজন।
লক্ষ্মীপূজার প্রাক্কালে বাঁকুড়ার শালবনী গ্রামের চারজন ও কেশরা গ্রামের একজন— মোট পাঁচ বন্ধু গঙ্গোত্রী থেকে কেদারতাল অভিযানের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। গঙ্গোত্রী বেসক্যাম্প থেকে একটি অভিযাত্রী দলের সঙ্গে ট্রেকিং শুরুর পর পথে ভয়াবহ তুষারঝড়ের মুখে পড়েন তাঁরা। এই ঘটনায় ওই দলের মোট আটজন অভিযাত্রী নিখোঁজ হয়ে যান।
খবর পাওয়ার পর এসডিআরএফ (SDRF), এনডিআরএফ (NDRF) এবং উত্তরাখণ্ড সিভিল এভিয়েশন ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে উদ্ধারকাজ শুরু হয়। টানা ছয় দিন ধরে তল্লাশি চালিয়ে সাতজন অভিযাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে উদ্ধারকারী দল। এর মধ্যে বাঁকুড়ার চারজন অভিযাত্রীর দেহ পরিবারের সদস্যরা শনাক্ত করেন।
গতকাল দেহগুলি দেরাদুন থেকে দিল্লিতে আনা হয় এবং পরে সেখান থেকে বিমানে দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছায়। আজ সকালে সেখান থেকে দেহগুলি বাঁকুড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। মর্মান্তিক এই ঘটনায় শালবনী ও কেশরা গ্রামে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। উল্লেখ্য, নিখোঁজ হওয়া অভিযাত্রীদের মধ্যে শালবনী গ্রামের বাসিন্দা রতন ঘোষের এখনও কোনো খোঁজ মেলেনি।