কানের মঞ্চে আলিয়ার গোলাপি জাদু, ছিমছাম আভিজাত্যে মুগ্ধ বিশ্ব
বিশ্ব চলচ্চিত্রের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আসর কান চলচ্চিত্র উৎসবের লালগালিচায় নিজের অভিষেক রাতেই দ্যুতি ছড়ালেন বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। অতিরিক্ত চাকচিক্য কিংবা জমকালো কারুকাজের স্রোতে গা না ভাসিয়ে আলিয়া বেছে নিয়েছেন ‘সফট এলিগেন্স’ বা কোমল আভিজাত্য। তার এই পরিশীলিত উপস্থিতি আন্তর্জাতিক ফ্যাশন মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
মিনিমালিস্ট ফ্যাশনেই বাজিমাত
লালগালিচায় আলিয়ার পরনে ছিল হালকা বেবি পিঙ্ক রঙের একটি বডি-হাগিং গাউন। পোশাকটির বিশেষত্ব ছিল এর স্ট্রাকচার্ড করসেট ডিজাইন এবং দুই পাশ থেকে নেমে আসা দীর্ঘ ড্রামাটিক ট্রেইল। আধুনিকতার সঙ্গে মার্জিত আবেদনের এক চমৎকার ভারসাম্য দেখা গেছে তার এই পোশাকে। কোনো ভারী অলংকরণ ছাড়াই শুধুমাত্র নিখুঁত কাটিং এবং শিফনের ব্যবহার আলিয়াকে করে তুলেছে অনন্য। গয়না হিসেবে তিনি বেছে নিয়েছিলেন একটি স্টেটমেন্ট ডায়মন্ড নেকপিস, যা পুরো সাজে রাজকীয় ছোঁয়া যোগ করেছে।
ক্লিন গার্ল এস্থেটিক ও মেকআপ ট্রেন্ড
সাজের ক্ষেত্রে আলিয়া বর্তমানে জনপ্রিয় ‘ক্লিন গার্ল এস্থেটিক’ ট্রেন্ডকে প্রাধান্য দিয়েছেন। ডিউই বেস মেকআপ, হালকা ব্লাশ এবং নিউড পিঙ্ক লিপস্টিকে তাকে দেখাচ্ছিল সতেজ ও প্রাণবন্ত। চুলের সাজে কোনো জটিলতা না রেখে সাধারণ ওয়েভি ওপেন হেয়ারস্টাইলটি তার স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে আরও ফুটিয়ে তুলেছে। ফ্যাশন বিশেষজ্ঞদের মতে, আলিয়ার এই মিনিমাল লুক প্রমাণ করেছে যে নীরব আভিজাত্যই কখনও কখনও সবচেয়ে জোরালো প্রভাব ফেলে।
কানের মঞ্চে সাধারণত নাটকীয় বা পরীক্ষামূলক ফ্যাশনের ছড়াছড়ি থাকলেও আলিয়ার এই কোমল ও পরিমিত স্টাইল তরুণ প্রজন্মের ফ্যাশনপ্রেমীদের দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতীয় ফ্যাশনের এক আত্মবিশ্বাসী ও আধুনিক রূপই যেন ফুটে উঠল তার এই শৈল্পিক উপস্থিতিতে।