ভুল নিয়মে হিরে ধারণে ঘটতে পারে ঘোর অমঙ্গল!

বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, হিরে হলো বিলাসিতা ও সৌন্দর্যের কারক গ্রহ ‘শুক্র’-এর প্রতীক। জ্যোতিষবিদদের মতে, কোষ্ঠীতে শুক্রের অবস্থান দুর্বল হলে দাম্পত্য জীবনে বাধা, সম্পর্কের অবনতি কিংবা আর্থিক সংকট দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে ফ্যাশন, বিনোদন বা সংগীত জগতের মানুষের জন্য হিরে অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে। সঠিক নিয়ম মেনে শুক্রের প্রভাবে হিরে ধারণ করলে জীবনে বৈভব ও মর্যাদা বৃদ্ধি পায় বলে মনে করা হয়।

তবে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া বা ভুল নিয়মে হিরে পরিধান করলে জীবনে বিপরীত ফলাফল আসতে পারে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, শুক্র অশুভ অবস্থানে থাকলে হিরে ধারণের ফলে চারিত্রিক অধঃপতন বা মানসিক জটিলতা সৃষ্টির আশঙ্কা থাকে। তাই হিরে স্থায়ীভাবে ব্যবহারের আগে সাত দিন ‘ট্রায়াল’ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এ ছাড়া ভাঙা বা কৃত্রিম হিরে ব্যবহার করা এবং জ্যোতিষীর পরামর্শ ছাড়া অন্য রত্নের সঙ্গে এটি পরিধান করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

হিরে ধারণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু বিধি মেনে চলা আবশ্যক। রত্নটি অবশ্যই প্রাকৃতিক, স্বচ্ছ এবং দাগহীন হতে হবে, যার ওজন অন্তত ০.২৫ থেকে ১ ক্যারেট হওয়া প্রয়োজন। এটি সোনা নয়, বরং প্ল্যাটিনাম, হোয়াইট গোল্ড বা রুপোর ওপর বসিয়ে শুক্লপক্ষের শুক্রবার সকালে ডান হাতের অনামিকা বা মধ্যমায় ধারণ করতে হয়। পরিধানের আগে ‘ওঁ দ্রাঁ দ্রীঁ দ্রৌঁ সঃ শুক্রায় নমঃ’ মন্ত্রটি ১০৮ বার জপ করা বাধ্যতামূলক।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *