সীমান্তে আটকা অসহায় নারী ও শিশুরা, বাড়ছে মানবিক বিপর্যয়!

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে জোরপূর্বক পুশব্যাকের ঘটনায় চরম মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। নারী ও শিশুসহ বেশ কিছু মানুষকে সীমান্তের জিরো পয়েন্টে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তা প্রতিহত করে। এ ঘটনায় খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও চিকিৎসার অভাবে আটকে পড়া মানুষেরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এ বিষয়ে বিজিবি কর্তৃক ফ্ল্যাগ মিটিংয়ের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। বাংলাদেশের স্পষ্ট অবস্থান হলো, প্রকৃত বাংলাদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে প্রচলিত কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে, তবে নাগরিকত্বের সত্যতা যাচাই না করে একতরফাভাবে কাউকে ঠেলে দেওয়া অগ্রহণযোগ্য।

গত ৫ ও ৬ জুন বিভিন্ন সীমান্তে আটকে পড়ার ঘটনার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চাঁপাইনবাবগঞ্জের বঙ্গাবাড়িতে ২৮ জন, নওগাঁর সাপাহারে ১৭ জন, লালমনিরহাটের বিভিন্ন স্থানে ৩৩-৩৪ জন এবং পঞ্চগড়ে ১০ জনসহ শতাধিক মানুষের দুর্ভোগের তথ্য পাওয়া গেছে। যদিও পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্তে বিএসএফের পুশব্যাকের চেষ্টা বিজিবির বাধায় ব্যর্থ হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থা ‘প্রতিকার’ এবং সিপিবিসহ বিভিন্ন পক্ষ এ ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে। তাদের মতে, কোনো প্রকার আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া সাধারণ মানুষকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলা অমানবিক এবং বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *