চেক বাউন্স করলে এবার আরও বড় বিপদ, হতে পারে ৭ বছরের জেল!

চেক বাউন্স বা প্রত্যাখ্যাত হওয়া এখন আর কেবল আর্থিক ক্ষতির বিষয় নয়, বরং তা আইনি শাস্তির বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট অ্যাক্ট, ১৮৮১-এর ১৩৮ নম্বর ধারার অধীনে চেক বাউন্সের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে অভিযুক্ত ব্যক্তি দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা চেকের অঙ্কের দ্বিগুণ পর্যন্ত জরিমানার সম্মুখীন হতে পারেন। এছাড়া নতুন ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS) অনুযায়ী, প্রতারণা বা জালিয়াতির উদ্দেশ্যে চেক ব্যবহারের প্রমাণ মিললে ৩১৮ ও ৩১৯ ধারায় অভিযুক্তের শাস্তি সাত বছর পর্যন্ত হতে পারে।

আইনি প্রক্রিয়ায় চেক বাউন্স হওয়ার পর ব্যাঙ্ক থেকে রিটার্ন মেমো পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে প্রদানকারীকে আইনি নোটিশ পাঠাতে হয় এবং নোটিশ পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে টাকা পরিশোধের সুযোগ দিতে হয়। এই সময়সীমা পার হলে আদালতে মামলা দায়ের করা যায়। মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী, অভিযোগকারীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট যে এলাকায় অবস্থিত, সেখানেই মামলা দায়ের করতে হবে। এছাড়া মামলা চলাকালীন আদালতের নির্দেশে অভিযুক্তকে চেকের অঙ্কের ২০ শতাংশ পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন ক্ষতিপূরণ হিসেবে জমা দিতে হতে পারে এবং নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে গেলেও এই ২০ শতাংশ অর্থ জমা দেওয়া এখন বাধ্যতামূলক। সেই সঙ্গে অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা থাকা সত্ত্বেও প্রতারণার উদ্দেশ্যে ‘স্টপ পেমেন্ট’ নির্দেশ প্রদানকেও আইনত অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *