তৃণমূলের দলবদলে মমতার পাশে অবিচল শত্রুঘ্ন, নিশানায় কি তবে অভিষেক?
তৃণমূল কংগ্রেসে যখন দলের ভেতরকার অস্থিরতা ও বিভিন্ন স্তরের নেতাদের বিদ্রোহ প্রকাশ্যে আসছে, ঠিক সেই সময়ে দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি নিজের পূর্ণ আনুগত্য প্রকাশ করলেন আসানসোলের সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তৃণমূলে তাঁর নেত্রী কেবল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই, অন্য কাউকে তিনি নেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন না। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বরিষ্ঠ নেতাদের একাংশের যে ক্ষোভ ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে, শত্রুঘ্ন সিনহার এই মন্তব্য সেই দ্বন্দ্বকেই আরও স্পষ্ট করে তুলেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
দলের ভেতরের এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে বিদ্রোহী নেতাদের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিয়ে শত্রুঘ্ন সিনহা বলেছেন, দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার আগে সাংসদদের উচিত পদত্যাগ করা। তিনি মনে করেন, ইউসুফ পাঠান বা সায়নী ঘোষের মতো নেতারা কোনো অজানা কারণে দূরে সরে যাচ্ছেন। তবে প্রবীণ নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি তাঁকে অভিজ্ঞ ও বুদ্ধিমান বলে অভিহিত করেছেন। এদিকে, নিজের প্রাক্তন দল বিজেপির কথা উল্লেখ করেও শত্রুঘ্ন সিনহা নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই থাকবেন এবং কোনো পক্ষের দ্বারা প্রভাবিত নন। এই সমর্থন তৃণমূলের অন্দরে নবীন-প্রবীণ দ্বন্দ্বের আবহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বকে বাড়তি স্বস্তি জোগাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।