সংসদে নজিরবিহীন মহাবিদ্রোহ, শুভেন্দুর মেগা চালে কি খণ্ডবিখণ্ড তৃণমূল!
তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে বড়সড় ভাঙনের মুখে পড়ে লোকসভার ২০ জন সাংসদ বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ শিবিরে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। দলত্যাগী এই বিদ্রোহী শিবিরের দাবি, তৃণমূলের মোট ২৮ জন সাংসদের মধ্যে ২০ জনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব অস্বীকার করে আলাদা গোষ্ঠী তৈরি করছেন। সোমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে আয়োজিত একটি বৈঠকে একাধিক হেভিওয়েট সাংসদকে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। দলত্যাগ বিরোধী আইন এড়াতে সাংসদদের এই সংখ্যাকে দুই-তৃতীয়াংশ হিসেবে দাবি করছেন বিদ্রোহীরা।
বিদ্রোহের নেপথ্যে থাকা সাংসদরা জানিয়েছেন, গত ১৪ মে কালীঘাটে দলীয় বৈঠকে কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে লোকসভার চিফ হুইপের পদ থেকে সরানোর পর থেকেই ক্ষোভের সূত্রপাত। বিজেপি এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সহায়তায় কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বেই এই প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে এবং এ বিষয়ে স্পিকার ওম বিড়লার দপ্তরে ২০ জন সাংসদের স্বাক্ষর সম্বলিত চিঠি পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি, পূর্ব বর্ধমানের সাংসদ শর্মিলা সরকার ও মুর্শিদাবাদের সাংসদ আবু তাহের খানের বিরুদ্ধেও দলত্যাগের অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, গত ৩ জুন থেকেই সাংসদদের ওপর নজরদারি চালানো হলেও শেষ পর্যন্ত ২০ জনের বিদ্রোহ সামাল দেওয়া সম্ভব হয়নি। বিধানসভার ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৬০ জনের দলত্যাগের ঘটনার সমান্তরালে লোকসভায় এই ধাক্কা তৃণমূলের রাজনৈতিক অস্তিত্বকে গভীর সংকটের মুখে ফেলেছে।