জোড়াফুলে ভাঙনের দোরগোড়ায়! বিদ্রোহী রুখতে স্পিকারকে কড়া চিঠি অভিষেকের?
ভোটের ফল প্রকাশের পর তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে সাংসদদের একটি অংশের আলাদা গোষ্ঠী তৈরির জল্পনা বাড়তে থাকায় কড়া পদক্ষেপ নিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিদ্রোহী শিবিরকে যাতে কোনোভাবেই স্বীকৃতি দেওয়া না হয়, সে বিষয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়েছেন তিনি। শনিবার দলের দুই সাংসদ সাগরিকা ঘোষ ও কীর্তি আজাদ স্পিকারের বাসভবনে গিয়ে এই চিঠি জমা দেন এবং দলের বক্তব্য না শুনে কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীকে মান্যতা না দেওয়ার আবেদন জানান।
চিঠিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আইনি ও সাংবিধানিক যুক্তি দিয়ে স্পষ্ট করেছেন যে, ৯১তম সংবিধান সংশোধনী অনুযায়ী এখন দল ভাগের কোনো বৈধতা নেই এবং দলবিরোধী কাজ করলে তা পদ খারিজের যোগ্য অপরাধ। এছাড়া, ২০২৩ সালের সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ভিত্তিতে তিনি উল্লেখ করেন যে, সংসদীয় দলের চেয়ে মূল রাজনৈতিক দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। লোকসভার নিয়ম অনুযায়ী নতুন গোষ্ঠী তৈরি করতে ন্যূনতম ৩০ জন সাংসদের সমর্থনের প্রয়োজন, যার অভাবে মূল নেতৃত্বকে অন্ধকারে রেখে সমান্তরাল গোষ্ঠী গড়ার কোনো এক্তিয়ার কারো নেই। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তৃণমূল নেতৃত্ব বিদ্রোহী সাংসদদের কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়ে আইনি পথে দল ভাঙার প্রচেষ্টাকে রুখতে চাইছে।