তৃণমূলের ২০ বিদ্রোহীর ভবিষ্যৎ এবার কার হাতে, তুঙ্গে নয়া নাটক!

তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ সংকট এখন সংসদ পর্যন্ত গড়িয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন মূল দল এবং দলত্যাগী বিদ্রোহী সাংসদদের গোষ্ঠীর মধ্যকার আইনি বিরোধের বিষয়টি বর্তমানে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিবেচনার অপেক্ষায় রয়েছে। এরই মধ্যে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লোকসভা সচিবালয় থেকে মাত্র দুই ঘণ্টার নোটিশে সশরীরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিষেকের পরিবর্তে তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ স্পিকারের দফতরে গিয়ে জানান যে, ইডির জিজ্ঞাসাবাদের কারণে অভিষেক উপস্থিত হতে পারছেন না। তৃণমূলের অভিযোগ, মূল দলকে আইনি যুক্তি পেশ করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করতেই এই সংক্ষিপ্ত নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।

বিদ্রোহী সাংসদরা এনসিপিআই (NCPI) নামক একটি দলে যোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন এবং কাকলী ঘোষ দস্তিদার জ্যোতিপ্রকাশ চট্টোপাধ্যায়কে দলটির নতুন জাতীয় সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তবে দলের পুরনো নেতাকর্মীরা এই নিয়োগের বিষয়ে অন্ধকারে রয়েছেন বলে জানা গেছে। এদিকে, বিদ্রোহী গোষ্ঠী দাবি করেছে যে তাদের সাথে ২০ জন সাংসদ রয়েছেন, যা বেড়ে ২২ হতে পারে। স্পিকারের অনুমোদন মিললে এই গোষ্ঠীটি এনডিএ জোটের অন্যতম বড় শরীক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। তবে সংবিধান বিশেষজ্ঞ পিডিটি আচার্যের মতে, সংবিধানের দশম তফসিলের ৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কেবল একটি মূল রাজনৈতিক দলই অন্য দলের সঙ্গে একীভূত হতে পারে, যা এই ক্ষেত্রে মানা হয়েছে কি না তা নিয়ে আইনগত প্রশ্ন রয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *