দলবদলের ধাক্কায় জেরবার তৃণমূল, প্রতীক বাঁচাতে মমতার ভরসা সেই আইন!

তৃণমূল কংগ্রেসে বড় ধরনের ভাঙন দেখা দিয়েছে। দলের প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদার দলত্যাগ করে অন্য একটি রাজনৈতিক দলে যোগ দিয়েছেন। একইসঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী বিধায়কদের দল ছাড়ার সম্ভাবনায় ঘাসফুল শিবিরের পরিষদীয় দল সংকটের মুখে পড়েছে। এই দলবদলের হিড়িক রাজ্য রাজনীতিতে ফের ‘আয়ারাম-গয়ারাম’ রাজনীতির চর্চাকে সামনে নিয়ে এসেছে।
১৯৬৭ সালে হরিয়ানার গয়া লালের দলবদলের ঘটনা থেকে এই ‘আয়ারাম-গয়ারাম’ মিথের জন্ম। এই সুবিধাবাদী প্রবণতা রোধে ১৯৮৫ সালে রাজীব গান্ধী সরকার ‘দলত্যাগ বিরোধী আইন’ প্রণয়ন করে। এই আইনের সংস্থান অনুযায়ী, কোনো জনপ্রতিনিধি স্বেচ্ছায় দল ছাড়লে বা দলের হুইপ অমান্য করলে তাঁর সদস্যপদ খারিজ হতে পারে। তৃণমূলের বর্তমান টালমাটাল অবস্থায় দলের সাংগঠনিক কাঠামো ও অস্তিত্ব রক্ষায় রাজীব গান্ধীর তৈরি এই আইনটিই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধান রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করতে পারে। ফলে জনপ্রতিনিধিরা দলত্যাগ করলেও দলের মালিকানা ও প্রতীক মমতার হাতে থাকার আইনি সম্ভাবনা প্রবল।